ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের একটি বিমানঘাঁটিতে অন্তত ১২টি মার্কিন এফ-২২ যুদ্ধবিমান অবতরণ করেছে। গত মঙ্গলবার বিমানগুলো অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান।
মঙ্গলবার কানের প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা মোতায়েনের অংশ হিসেবে আজ বিকেলে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে ১২টি মার্কিন এফ-২২ যুদ্ধবিমান অবতরণ করেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এগুলো বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত যুদ্ধবিমানগুলোর অন্যতম। কেবল যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই এগুলো রয়েছে। অন্যান্য অভিযানের পাশাপাশি এই বিমানগুলোর অন্যতম কাজ হলো ‘শত্রুর সীমানায় অনুপ্রবেশ করা এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ও রাডার ব্যবস্থা অকেজো করে দেওয়া’।
পারমাণবিক আলোচনা ব্যর্থ হলে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ পটভূমিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ বুধবার দুই দিনের সফরে ইসরায়েল পৌঁছেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাতের ঝুঁকির মধ্যে এই সফরে গেলেন তিনি। অন্যদিকে ইসরায়েলও ফিলিস্তিনে জাতিগত নিধন চালিয়ে যাচ্ছে। এসব কারণে মোদির এই সফরকে দেশ দুটির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ২০১৭ সালে নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফরে গিয়েছিলেন। তখনো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। প্রায় ৯ বছর পর দুই নেতা এখনো ক্ষমতায় রয়েছেন। একে অপরকে বন্ধু হিসেবে সম্বোধন করা মোদি ও নেতানিয়াহু এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। ইসরায়েল বর্তমানে তাদের সামরিক-সংক্রান্ত সরঞ্জামের রপ্তানি বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।
ইসরায়েল সরকারের একজন কর্মকর্তা জানান, মোদির এই সফর অনেক ক্ষেত্রে নতুন অংশীদারত্বের পথ খুলে দেবে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, দুই দেশের সম্পর্ক এখন অনন্য এক উচ্চতায় পৌঁছানোর অপেক্ষায়। মোদি ইসরায়েলের পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ ভাষণ দেবেন এবং হলোকাস্ট স্মৃতিসৌধ ‘ইয়াদ ভাশেম’-এ শ্রদ্ধা জানাবেন।
ইরান উপকূলে মার্কিন সামরিক তৎপরতা
এমন এক সময়ে মোদি ইসরায়েল সফরে গেলেন, যখন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, চুক্তিতে পৌঁছানো না গেলে ইরানের ওপর হামলা চালানো হবে।
এরই মধ্যে আরব সাগরে বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ মোতায়েন করা হয়েছে। তা ছাড়া আরেকটি রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ বর্তমানে গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের মার্কিন ঘাঁটিতে অবস্থান করছে, যা যেকোনো সময় ইরানের উপকূলের দিকে রওনা হতে পারে।
বর্তমান উত্তেজনার শুরু থেকে তেহরান বলছে, যেকোনো হামলার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। গত সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত আকারের হামলাকেও ‘আগ্রাসন’ হিসেবে গণ্য করা হবে।
তবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয় দফার আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে আবার শুরু হওয়া এই আলোচনাকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আক্রান্ত হলে ইসরায়েলের পাশাপাশি পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইরান। এসব আরব দেশে ভারতের লাখ লাখ নাগরিক কাজ করেন। এ অঞ্চল থেকে প্রতিবছর কোটি কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে ভারতে।
ভারতের চিন্তক সংস্থা অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের কবির তানেজা বলেন, নয়াদিল্লি এই অঞ্চলে কোনো সংঘাত চায় না। অতীতে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছে এবং মোদির এই সফরেও তা দেওয়া হবে।
নেতানিয়াহু চলতি সপ্তাহে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে ভারতকে ‘ভবিষ্যতের অক্ষশক্তি’র অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি মনে করেন, উগ্রপন্থী শক্তির মোকাবিলায় সমমনা দেশগুলোর এক হওয়া প্রয়োজন।
তবে কবির তানেজা বলেন, ইসরায়েলি সামরিক সরঞ্জাম কিনতে আগ্রহী হলেও ভারত কোনো আনুষ্ঠানিক জোটে যোগ দিতে দ্বিধা করবে। কারণ, আন্তর্জাতিক বিষয়ে জোটনিরপেক্ষ থাকার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে নয়াদিল্লির।
ইরানে হামলা চালানো হবে কি না, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমেই বিরক্ত হয়ে পড়ছেন বলে জানা গেছে। প্রেসিডেন্টকে জানানো হয়েছে, সেখানে যেকোনো হামলা ‘এক দফা বা চূড়ান্ত কোনো আঘাত’ হবে না। বরং এমন পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এক দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানে বিমান হামলার নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি অনেকাংশে ট্রাম্পের দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের মতামতের ওপর নির্ভর করছে। তেহরান তাদের পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা ত্যাগের বিষয়ে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিলম্ব করছে কি না, তা খতিয়ে দেখবেন এ দুই প্রতিনিধি।
সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক প্রভাব খাটানোর সীমাবদ্ধতা নিয়ে ট্রাম্পের মধ্যে বিরক্তি বাড়ছে বলে তাঁর সহকারীরা জানিয়েছেন।
ইরানে বেশ বড় ধরনের আঘাত হানা হবে—ট্রাম্প তাঁর উপদেষ্টাদের কাছে এমন পরিকল্পনা চেয়েছেন, যাতে দুর্বল হয়ে ইরানি নেতারা আলোচনায় বসতে বাধ্য হবেন। তবে সামরিক পরিকল্পনাকারীরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, এ ধরনের হামলার মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জনের কোনো নিশ্চয়তা নেই।
হামলার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। আগামী বৃহস্পতিবার জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে চলতি সপ্তাহেই ইরান তাদের সর্বশেষ প্রস্তাব পাঠাবে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। কর্মকর্তাদের মতে, জেনেভার এই আলোচনা সংকটের অবসানে ‘শেষ চেষ্টা’ হতে যাচ্ছে।
ইরানের ইসফাহান প্রদেশের দোরচেহ শহরে একটি ফলের বাজারে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই সামরিক পাইলট ও দুই দোকানি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সরকারি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, শহরটিতে সেনাবাহিনীর একটি বড় বিমানঘাঁটি রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে।
আর্মি এভিয়েশন ট্রেনিং সেন্টার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিহত দুই সেনাসদস্য হলেন পাইলট কর্নেল হামিদ সারভাজাদ আর কো-পাইলট মেজর মোজতবা কিয়ানি।
হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই তাতে আগুন ধরে যায়। এতে বাজারের দোকানে কাজ করা দুজন ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
আর্মি এভিয়েশন ট্রেনিং সেন্টার জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। স্থানীয় বিচার বিভাগীয় প্রধান আসাদুল্লাহ জাফারি জানান, তিনি এ ঘটনায় একটি মামলা করেছেন এবং তদন্ত কর্মকর্তাদের ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন।
এর আগে এক সপ্তাহের কম সময় আগে ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় হামাদান প্রদেশে একটি প্রশিক্ষণ মিশনের সময় বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। যুদ্ধবিমানটি যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পুরোনো এফ-৪ মডেলের ছিল বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান তাদের পুরোনো সামরিক ও বেসামরিক উড়োজাহাজগুলো আধুনিকায়ন করতে পারছে না। এ কারণে দেশটিতে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে।
উত্তর কোরিয়ার শাসক দল একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় আগামী বছরের নীতি নির্ধারণ করছে। এর মধ্যেই খবর এল, নেতা কিম জং–উনের বোন কিম ইয়ো জং পদোন্নতি পেয়েছেন। এটাকে কিম পরিবারের ক্ষমতা আরও পাকাপোক্ত করার উদ্যোগ হিসেবে বলা হচ্ছে।
আজ মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, কিম ইয়ো জং আগে শাসক দল ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির একটি বিভাগের উপপরিচালক ছিলেন। এখন তাঁকে ‘পরিচালক’ করা হয়েছে। তবে কিম ইয়ো ঠিক কোন বিভাগের দায়িত্ব পেয়েছেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
পিয়ংইয়ংয়ে পাঁচ বছর পরপর হওয়া বিশেষ দলীয় কংগ্রেস চলছে। পাঁচ হাজার প্রতিনিধির এ সভায় কিম জং–উন আবার দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার মতে, কিম জং–উনের কিশোরী কন্যা কিম জু আয়েকেও উত্তরসূরি হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। ১৯৪০ সাল থেকেই এই কিম পরিবার উত্তর কোরিয়া শাসন করছে।
কিম ইয়ো জং দীর্ঘ সময় ধরে উত্তর কোরিয়া সরকারের প্রধান কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করছেন। বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর হুমকি বা উসকানিমূলক বিবৃতির জন্য তিনি পরিচিত। তবে সম্প্রতি সীমান্ত নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার দুঃখ প্রকাশকে তিনি ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেছেন, যা ছিল বেশ ব্যতিক্রম।
উত্তর কোরিয়ায় নেতার ভাইবোনদের অবস্থান সাধারণত খুব একটা নিরাপদ থাকে না। কিন্তু কিম ইয়ো জং এখনো বেশ দাপটের সঙ্গে টিকে আছেন। ২০১৭ সালে সৎ বড় ভাইকে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল কিম জং–উনের বিরুদ্ধে।
সাবেক নেতা কিম জং ইলের ভাই শৈশবে মারা যান। আরেক সৎ ভাইকে বছরের পর বছর নির্বাসনে থাকতে হয়েছে।
পারমাণবিক অস্ত্র বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে কিম জং–উন এখনো বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বলছে, সম্মেলনে দেশের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা চলছে। কিম জং–উন আগেই জানিয়েছিলেন, এ সভায় তিনি দেশের পারমাণবিক শক্তি আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা স্পষ্ট করবেন।
ভারতের ঝাড়খণ্ডের চাতরা জেলায় সাতজন আরোহী নিয়ে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশন (ডিজিসিএ) সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।
ডিজিসিএর বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, রেডবার্ড এয়ারওয়েজ প্রাইভেট লিমিটেড পরিচালিত একটি বিচক্রাফ্ট সি৯০ বিমানটি সন্ধ্যা ৭টা ১১ মিনিটে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। উড্ডয়নের প্রায় ২৩ মিনিট পর বিমানটির সঙ্গে রাডার ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগের পর ভারতীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে বারাণসীর প্রায় ১০০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পূর্বে বিমানটি রাডার ও যোগাযোগের বাইরে চলে যায়।
প্যাক্স ম্যানিফেস্ট অনুযায়ী, বিমানে দুইজন পাইলট, একজন রোগী, দুইজন পরিচর্যাকারী, একজন চিকিৎসক এবং একজন প্যারামেডিকসহ মোট সাতজন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটির টেল নম্বর ছিল ভিটি-এজেভি।
ডিজিসিএ আরও জানায়, জেলা প্রশাসনের অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে এয়ারক্রাফট এক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) এর একটি দল পাঠানো হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
জানা গেছে, ৪১ বছর বয়সী এক ব্যক্তি গুরুতর দুর্ঘটনায় ৬৩ শতাংশ দগ্ধ হন এবং তাকে আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিল্লিতে স্থানান্তর করতেই এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয়েছিল।