• Colors: Blue Color

ইসরায়েলের দখলকৃত ফিলিস্তিনের জেরুজালেম শহরে আঘাত হেনেছে ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (মিসাইল)। খবর, আল জাজিরার।

সোমবার (২ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান নতুন করে যেসব ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, সেগুলোর একটি সরাসরি জেরুজালেমে আঘাত করে।

গণমাধ্যমটির একজন সাংবাদিক ঘটনাস্থল থেকে জানান, পশ্চিম জেরুজালেমে হামলার আগে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। এর কিছুক্ষণ পরই একটি মিসাইল এসে সেখানে আঘাত হানে।

১৯৬৭ সালের ছয়দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পর ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়। ফিলিস্তিনিরা পবিত্র এ ভূমির মালিক হলেও বর্তমানে জেরুজালেমের প্রশাসনিক সব ক্ষমতা ইসরায়েলিদের হাতে।

মূলত, এখানেই অবস্থিত পবিত্র আল-আকসা মসজিদ, যা ইসলামের প্রথম কিবলা হিসেবে পরিচিত। সৌদি আরব-এর মক্কা ও মদিনার পর মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত জেরুজালেম শহর।

করাচি

ইরানের রাজধানী তেহরানে আরও দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে জানিয়েছেন বার্তা সংস্থা এএফপির দুজন সাংবাদিক। তেহরানে অবস্থানরত ওই দুই সাংবাদিক বলেন, হামলাস্থল থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থানে থেকে তাঁরা হামলার তীব্রতা অনুভব করেন। হামলার সময় তাঁদের অ্যাপার্টমেন্টের জানালার কাঁচ কেঁপে ওঠে।

স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে এই বিস্ফোরণগুলো ঘটে। ঠিক একই সময়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছিল যে, তাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে হামলার লক্ষ্যবস্তু কী ছিল তা পরিষ্কার হওয়া যায়নি। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভশনের সম্প্রচার সচল ছিল।

এর আগে ইসরায়েল জানিয়েছিল, তারা নতুন দফায় তেহরানে হামলা শুরু করেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির আল-সালাম নৌঘাঁটিতে একটি গুদাম লক্ষ্য করে দুটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মীরা পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলার ফলে সাধারণ সরঞ্জাম রাখা দুটি কনটেইনারে আগুন ধরে যায়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এ ঘটনাকে ‘সুস্পষ্ট আগ্রাসন এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আবুধাবির একটি সামরিক ঘাঁটিতে অন্তত দুটি হামলা চালানো হয়েছে। তবে কেন ওই ঘাঁটিতে হামলা চালানো হলো, সে বিষয়ে তারা কিছু জানায়নি।

এর আগে আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, শনিবার সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে তারা ১৬৭টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৫৪১টি ইরানি ড্রোন হামলা মোকাবিলা করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল শনিবার সকালে ইরানে যৌথভাবে হামলা শুরু করে। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। হামলার জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ছে ইরান।

বিবিসি

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের বেইত শেমেশ শহরে অন্তত নয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত অনন্ত ২৭ জন।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

ইসরায়েলি জরুরি সেবা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আলজাজিরা জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ৯ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে, ইরানের হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে অন্তত ৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি। এছাড়াও আহত হয়েছেন আরও ৫৮ জন।

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ৩ জন সদস্য নিহত এবং আরও ৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।

জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নিহত হয়েছেন।

রোববার (১ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি ইরানি লেবার নিউজ এজেন্সির (আইএলএনএ) বরাতে এ তথ্য জানায় ডেইলি সাবাহ। আইএলএনএ মূলত ইরানের শ্রমিক সংগঠন, কর্মসংস্থান, সামাজিক বিষয় ও শ্রম অধিকার–সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানে তার বাসভবনে চালানো এক বিমান হামলায় ৬৯ বছর বয়সী আহমাদিনেজাদ ও তার দেহরক্ষী নিহত হন। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি।

আহমাদিনেজাদ ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার শাসনামলের শুরুতে তিনি শিয়া ধর্মীয় নেতৃত্ব, কট্টরপন্থি ও পার্লামেন্টের রক্ষণশীলদের সমর্থন পেয়েছিলেন।

তবে মেয়াদের শেষদিকে তার নীতিনির্ধারণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে তার পারমাণবিক নীতির কারণে ইরানের ওপর একাধিক আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। ফলে দেশটি অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে।

ইসরায়েলবিরোধী কঠোর অবস্থানের জন্যও তিনি পরিচিত ছিলেন। তার শাসনামলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক হুমকির জেরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরান ব্যাপকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার সমর্থকরা দূরে সরে যান এবং মেয়াদের শেষদিকে কট্টরপন্থিদের কাছেও তিনি বিতর্কিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হন।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব