• Colors: Blue Color

ভারতের মধ্যাঞ্চলীয় রাজ্য ছত্তিশগড়ের সিক সাক্তি জেলায় একটি তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লার বিস্ফোরিত হয়েছে। এতে নিহত হয়েছেন ওই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ১১ জন কর্মচারী এবং আহত হয়েছেন আরও ২২ জন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরের দিকে এই ঘটনা ঘটেছে। এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, সাক্তি জেলার সিংঘিতারাই অঞ্চলে অবস্থিত এ বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রটির মালিক বেদান্ত শিল্পগোষ্ঠী। এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে উৎপাদন শুরু হয় ২০২৫ সাল থেকে।

সাক্তি জেলা পুলিশ ও প্রশাসনসূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণের অল্প সময়ের মধ্যেই স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশদল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারের কাজ শুরু করে।

জেলার পুলিশ সুপার প্রফুল্ল ঠাকুর মঙ্গলবার রাতে বলেন, চার জন কর্মচারী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন, আর বাকি সাত জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গিয়েছেন। আহত ২২ জন কর্মচারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এদিকে বেদান্ত শিল্পগোষ্ঠী কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, কারাখানাটির বয়লার ইউনিট তারা সরাসরি পরিচালনা করতে না। এনটিপিসি জিই পাওয়ার সার্ভিসেস লিমিটেড (এনজিএসএল) নামে অপর একটি কোম্পনি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির বয়লার ইউনিট পরিচালনা ও রক্ষাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিল।

তবে নিহতদের পরিবারকে সহায়তা এবং আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা বেদান্ত শিল্পগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে করা হবে বলে জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে আমাদের কাছে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ হলো নিহতদের পরিবারকে সহায়তা করা এবং আহতদের সর্বোত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাই এই বিস্ফোরণকে ‘অত্যন্ত মর্মান্তিক’ উল্লেখ করে এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমাদের সরকার নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে। বিস্ফোরণের কারণ নির্ধারণ করতে তদন্ত হবে এবং এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র : দ্য ইকোনমিক টাইমস

 

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১টি শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি ৮টি শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯৮ শিশু, আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭৬ জনের।

আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই হিসাব ১৩ এপ্রিল সকাল আটটা থেকে আজ ১৪ এপ্রিল সকাল আটটা পর্যন্ত সময়ের।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামে যে শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, তার বাড়ি চট্টগ্রামে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়া আট শিশুর ছয়টি ঢাকা বিভাগের, একটি চট্টগ্রামের এবং একটি রাজশাহীর। এই সময়ে সর্বোচ্চ ১৫৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। ১৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে রাজশাহী বিভাগে। আর তিনজন করে হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ১০৫ জনের মধ্যে। এর মধ্যে ৪৮৫ জনই ঢাকা বিভাগের। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯৮ জন, যার মধ্যে ২৯০ জনই ঢাকা বিভাগে। সবচেয়ে কম রোগী ভর্তি হয়েছে রংপুর (৮) ও ময়মনসিংহে (১৬)।

এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া ৯৩৫ জন গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ ৪১১ জন এবং ঢাকা বিভাগে ২৫৮ জন হাসপাতাল ছেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ২৯ দিনে হামে মোট ৩১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৬৪ শিশুর।

এ ছাড়া গত ২৯ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা ১৫ হাজার ৬৫৩ জনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১১ হাজার ৬৫২ জন। তাঁদের মধ্যে ২ হাজার ৮৯৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে ৯ হাজার ৩০৪ জন।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ইসরায়েলের সঙ্গে তাঁর দেশের প্রতিরক্ষা চুক্তির স্বয়ংক্রিয় নবায়ন স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। স্থানীয় সংবাদ সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে এ কথা জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার ভেরোনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মেলোনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ‘সম্ভাব্য সব ধরনের প্রচেষ্টা’ অবশ্যই চালাতে হবে।

২০০৩ সালে ইতালির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বেরলুসকোনির অধীনে এই সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা প্রতিরক্ষা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সহযোগিতার পথ সুগম করেছিল। ২০০৫ সালে ইতালি এটি অনুমোদন করে এবং প্রতি পাঁচ বছর অন্তর চুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হয়ে আসছিল।

তথ্যসূত্র: বিবিসি ও টাইমস অব ইসরায়েল

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি ও ইরানের বন্দর অবরোধের পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে শুধু উত্তেজনাই বাড়বে এবং আগে থেকেই নাজুক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে আরও দুর্বল করবে।

এক সংবাদ সম্মেলনে গুয়ো জিয়াকুন আরও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।’ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ’ বলে উল্লেখ করেন।

গতকাল সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবরোধ শুরু হয়েছে।

এরই মধ্যে আজ মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ উপেক্ষা করে চীনের একটি ট্যাংকার হরমুজ পার হয়েছে। জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত তথ্য প্রদানকারী সংস্থা ‘মেরিন ট্রাফিক’ ও ‘কেপলার’-এর তথ্যে বিষয়টি উঠে এসেছে।

সূত্র: আল–জাজিরা ও মিডল ইস্ট আই

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ নতুন পোস্টে হুমকি দিয়ে বলেছেন, অবরোধ ভাঙতে এলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ (আক্রমণকারী জাহাজ) ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

এর আগে ট্রাম্প ইরানের সব বন্দর অবরোধ করার ঘোষণার সময় জানিয়ে দেন। আজ ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় সকাল ১০ টায় (বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৮টা) অবরোধ শুরুর কিছুক্ষণ পরে ট্রুথ সোশ্যালে হুমকি দিলেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘ইরানের নৌবাহিনী সমুদ্রের তলদেশে পড়ে আছে, তাদের ১৫৮টি জাহাজ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। তাদের স্বল্পসংখ্যক তথাকথিত “ফাস্ট অ্যাটাক শিপে” (দ্রুতগামী আক্রমণকারী জাহাজগুলো) আমরা এতদিন আঘাত করিনি, কারণ সেগুলোকে আমরা খুব একটা বড় হুমকি মনে করিনি।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘সতর্কবার্তা: এই জাহাজগুলোর কোনোটি যদি আমাদের অবরোধের আওতায় থাকা এলাকার ধারেকাছেও আসে, তবে সেগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হবে। সমুদ্রপথে মাদক ব্যবসায়ীদের নৌকা ধ্বংস করতে আমরা যে পদ্ধতি ব্যবহার করি, এদের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে।’

সূত্র: আল–জাজিরা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি বেড়ে চলেছে। দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সাবেক প্রধান জন ব্রেনান বলেছেন, ট্রাম্পের মতো প্রেসিডেন্টদের কথা মাথায় রেখেই যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্যের সমর্থনে একজন কার্যক্ষমতাহীন বা বিতর্কিত প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া সম্ভব।

গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশন চ্যানেল এমএস নাউ সিআইএর সাবেক প্রধান ব্রেনানের একটি সাক্ষাৎকার প্রচার করে। সেখানে ব্রেনান বলেন, ইরানি সভ্যতা ধ্বংস করে দেবেন বলা মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, তিনি ‘স্পষ্টতই মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েছেন’। এ অবস্থায় এত মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় তাঁকে কমান্ডার ইন চিফ রাখা উচিত হবে না।

ব্রেনান যুক্তি দিয়েছেন, পারমাণবিক অস্ত্রসহ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অস্ত্রভান্ডারের ওপর ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণ তাঁকে একটি অগ্রহণযোগ্য ঝুঁকিতে পরিণত করেছে।

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রকে জড়ানোর সিদ্ধান্ত এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্পের ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা নিয়ে বিতর্ক চলছে। সাবেক সিআইএ পরিচালকের এই মন্তব্য তাঁকে ট্রাম্পকে ঘিরে চলমান বিতর্কের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময় সিআইএ পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন ব্রেনান।

গত ৭ এপ্রিল ইরান সরকারকে হুমকি দিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন, ইরান সরকার যদি তা না মানে তবে ‘আজ রাতেই ইরানি সভ্যতা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে’।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সাবেক পরিচালক জন ব্রেনান
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সাবেক পরিচালক জন ব্রেনান, ফাইল ছবি: রয়টার্স
 

ব্রেনান এমএস নাউ–কে বলেন, এ ধরনের ভাষা পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়।

ব্রেনান বলেন, ‘এই ব্যক্তি স্পষ্টতই মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। আমার মনে হয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথা মাথায় রেখে ২৫তম সংশোধনী লেখা হয়েছিল।’

মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীতে বলা আছে, যদি প্রেসিডেন্ট মারা যান, পদত্যাগ করেন বা অভিশংসনের মাধ্যমে তাঁকে পদচ্যুত করা হয়, তাহলে ভাইস প্রেসিডেন্ট তাঁর জায়গায় প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

সেখানে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে শূন্যতা পূরণের প্রক্রিয়াও সুনির্দিষ্ট করে বলা আছে। এই সংশোধনী ১৯৬৫ সালে ৮৯তম কংগ্রেসের মাধ্যমে অঙ্গরাজ্যগুলোর কাছে উপস্থাপন করা হয় এবং ১৯৬৭ সালে এটি পাস হয়।

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের ৭০ জনেরও বেশি ডেমোক্র্যাট সদস্য সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তবে এটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং পুরো মন্ত্রিসভা প্রথম থেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি অবিচল ও অটল আনুগত্য বজায় রেখেছেন।

গত শনিবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ইরানে আবার সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

ব্রেনানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ একটি ফৌজদারি তদন্ত চালাচ্ছে। এই তদন্তকে ব্রেনানসহ অন্যরা প্রেসিডেন্টের তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন।

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব