২০২৬ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০ দলের জন্য আইসিসির মোট প্রাইজমানি ছিল ১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। ভারতীয় রুপিতে অঙ্কটা ১২৩ কোটি ৯৫ লাখ রুপি (প্রায় ১৬৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা) প্রায়। ভারত গত পরশু এ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রাইজমানি হিসেবে পায় ৩০ লাখ ডলার। ভারতীয় রুপিতে এই অঙ্কটা প্রায় ২৭ কোটি ৫৪ লাখ রুপি।
সূর্যকুমার যাদবের দল আর্থিক পুরস্কার পাচ্ছে আরও। আজ তাদের জন্য ১৩১ কোটি রুপি (প্রায় ১৭৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা) আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। অর্থাৎ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে আইসিসির মোট প্রাইজমানির চেয়েও বেশি আর্থিক পুরস্কার সূর্যকুমারদের দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিসিসিআই।
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে গত পরশু নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে ৯৬ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। প্রথম দল হিসেবে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনটি ট্রফি জেতার পাশাপাশি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবার শিরোপাও ধরে রাখল ভারত। পাশাপাশি প্রথম স্বাগতিক দল হিসেবেও তারা চ্যাম্পিয়ন হলো। এ সাফল্য উদ্যাপনে বিসিসিআই রীতিমতো ইতিহাসই গড়েছে। সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেটে এটাই সবচেয়ে বড় আর্থিক পুরস্কার।

বার্বাডোজে ২০২৪ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে রোহিত শর্মাদের ১২৫ কোটি রুপি অর্থ পুরস্কার দিয়েছিল বিসিসিআই। গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জয়ে ৫৮ কোটি রুপি অর্থ পুরস্কার পেয়েছিলেন ভারতের খেলোয়াড়রা। গত বছর নারী বিশ্বকাপ জয়ে খেলোয়াড়দের ৫১ কোটি রুপি অর্থ পুরস্কার দেয় বিসিসিআই।
বিসিসিআইয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আইসিসি ২০২৬ ছেলেদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে ভারত দলকে ১৩১ কোটি রুপি অর্থ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিসিসিআই। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত। সফলভাবে শিরোপা ধরে রাখার মধ্য দিয়ে এই টুর্নামেন্টে প্রথম দল হিসেবে ছেলেদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ট্রফিও ধরে রাখল তারা। পাশাপাশি আইসিসি টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম দল হিসেবে তিনবার শিরোপা জিতল ভারত, যা এ সংস্করণের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দলগুলোর একটি হিসেবে তাদের অবস্থান আরও শক্ত করল।’