মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যের উপকূলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিকেরা এই তথ্য জানিয়েছেন।
মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্য বোর্নিও দ্বীপে অবস্থিত। স্থানীয় সময় রোববার দিবাগত রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উপকূলীয় সাবাহ রাজ্যের রাজধানী কোটা কিনাবালু থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৬১৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার।
জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে এক ফলোআপ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে সেখানে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ’ বিষয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জাপানে কর্মী পাঠাতে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয় সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যাহ ভূঁইয়া এতে সভাপতিত্ব করেন। সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, নবগঠিত সরকারের যে নির্বাচনী ইশতেহার রয়েছে তারমধ্যে ২০টি কার্যক্রম রয়েছে, যেগুলো প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের সাথে সম্পৃক্ত। এ সরকারের অর্থাৎ বিএনপি দলীয় ইশতেহার যেহেতু জনগণ সমর্থন দিয়েছে, সেহেতু এটি একটি জাতীয় কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে। এই জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য কী ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করা যায়, সে বিষয়ে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জানানো হয়, সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানে বাংলাদেশ থেকে লোক পাঠানোর বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে জাপানে ২০৪০ সালের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ তরুণ বয়সীদের প্রয়োজন হবে। এখন আমাদের বাংলাদেশে প্রায় ২৩ লাখ অতিরিক্ত যুব শ্রমশক্তি আছে। আমরা কীভাবে তাদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে জাপানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পাঠানো যায়, এ বিষয়গুলো নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাংলাদেশ তার অদক্ষ শ্রমশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করে কীভাবে বিদেশে পাঠানো যায়, বিদেশে শ্রমে নিয়োজিত করা যায়—এই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়। আলোচনার মধ্যে বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ বিশ্বে শুধু অদক্ষ শ্রমিক সরবরাহ করে থাকে। এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আমাদের বিদেশের শ্রমবাজারে দক্ষ এবং আধা দক্ষ শ্রমিক রফতানির ওপর জোর দিতে হবে।
বিশেষ করে জাপানে যেহেতু এখন তাদের যুবকশ্রেণি কমে যাচ্ছে, সে কারণে যেসব ট্রেডে তাদের লোক দরকার, সেসব ট্রেড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য এবং ভাষা শিক্ষা দেওয়ার জন্য আগে ৩৩টি টিটিসিতে ট্রেড রিলেটেড প্রশিক্ষণ সুনির্দিষ্ট করা হয়েছিল। এখন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সংস্থা থেকে জাপানের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আরও ২০টি যোগ করে মোট ৫৩ টিটিসিতে জাপানি ভাষা শিক্ষা এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেয়াও হচ্ছে। জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণের জন্য যদিও শিক্ষকের অপ্রতুলতা রয়েছে। কীভাবে আরও বেশি পরিমাণে জাপানি ভাষা শিক্ষা দেওয়ার জন্য আরও বেশি শিক্ষক নিয়োগ করা যায়—এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
জাপানি ভাষা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য আমাদের যে ২০০ বেসরকারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, বিদেশে শ্রমিকের প্রেরণকারী এজেন্সি রয়েছে—সেগুলোর কাছ থেকে আরও কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যায়, তা নিয়েও সভায় আলোচনা হয়।
এছাড়া কীভাবে শ্রমবাজারের বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া যায়—যাতে করে অন্যান্য দেশের আগেই জাপানের শ্রম বাজারে আমরা আমাদের শ্রমশক্তি রফতানি করতে পারি, এ বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং কতগুলো কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।
এগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটা পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আগামী ৭ দিনের মধ্যে উপস্থাপনের জন্য সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। কর্মকর্তাদের মধ্যে এসব কার্যক্রম বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই দিন পরেই সেটার ফলোআপ আবার পুনরায় গ্রহণ করা হবে বলে মন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন। কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য আগামী দুই কর্ম দিবস পরেই আবার বসা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
এছাড়া, জাপানে জনশক্তি প্রেরণ ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে যেসব স্টেক হোল্ডার রয়েছে এবং শিক্ষক, ছাত্রদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে, শিক্ষকদের নিয়োজিত করার বিষয়ে যেসব অংশীজন রয়েছে, এসব স্টেকহোল্ডার বা অংশীজনদের নিয়ে পরশু একটা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে আজকে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সবার মতামতের ভিত্তিতে একটা পূর্ণাঙ্গ কর্মপত্র বা সুপারিশমালা প্রণয়ন করে বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারের যাতে সফল বাস্তবায়ন হয়— সেদিকে লক্ষ রেখে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশগুলো পাঠানো হবে বলে সভায় জানানো হয়।
জাপানে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সব কর্মকর্তাকে দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ১৭ বছর ধরে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক এক হাজার ছয়টি মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পরিচালক) ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক খুদে বার্তায় আজ রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
খুদে বার্তায় আরও বলা হয়, মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং এগুলোকে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও ভিন্নমত দমনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।
এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, হেফাজতে ইসলাম, গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলাগুলোর মধ্যে ২৩ হাজার ৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। ফলে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ হয়রানিমূলক মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে লড়বেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানা গেছে।
এনসিপি সূত্রে জানা যায়– দল থেকে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) এনসিপি থেকে মেয়র পদে লড়বেন আসিফ মাহমুদ।
আসিফ মাহমুদ চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী অর্ন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে উপদেষ্টা পদ ছাড়েন তিনি। নির্বাচনকালীন এনসিপির মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আসিফ মাহমুদ।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চ পর্যায়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল আনা হয়েছে। আজ রোববার সেনা সদর থেকে এ–সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমানকে আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (আর্টডক) থেকে সদর দপ্তরের চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) করা হয়েছে। আর সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি (জেনারেল অফিসার কমান্ডিং) মেজর জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমানকে পদোন্নতি দিয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল করা হয়েছে। পদোন্নতির পর তাঁকে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা লেফটেন্যান্ট জেনারেল এস এম কামরুল হাসানকে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন (এএফডি) থেকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
৫৫ পদাতিক ডিভিশনের মেজর জেনারেল জে এম ইমদাদুল ইসলামকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেন্টারের (ইবিআরসি) কমান্ড্যান্ট হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ইবিআরসির মেজর জেনারেল ফেরদৌস হাসান সেলিমকে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি (জেনারেল অফিসার কমান্ডিং) করা হয়েছে।
ভারতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাডভাইজার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাফিজুর রহমানকে পদোন্নতি দিয়ে মেজর জেনারেল করা হয়েছে। তাঁকে ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি করা হয়েছে।
এই ছয়টি পদের বাইরে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক পদেও রদবদল হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে। তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে, ডিজিএফআইয়ের বর্তমান মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হচ্ছে। এম অ্যান্ড কিউ পরিদপ্তরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কায়সার রশিদকে মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের অন্যতম যুগান্তকারী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’। দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে আসছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির এই সময়ে সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ কার্ডের পরিকল্পনা করেছে নতুন সরকার। আসন্ন ঈদের আগেই শুরু হচ্ছে এই পাইলট প্রকল্প। যার আওতায় প্রত্যেক সুবিধাভোগীকে মাসে ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হতে পারে।
এতে ৫০ লাখ সুবিধাভোগীর জন্য বছরে সরকারকে গুণতে হবে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য শুরুতে বাছাই করা হয়েছে বগুড়া ও দিনাজপুরের ৮টি উপজেলাকে। এরমধ্যে পাইলট প্রকল্প শুরু হচ্ছে বগুড়ার গাবতলী ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায়। এ ক্ষেত্রে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এজন্য সুবিধাভোগী বাছাইয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ খানা জরিপকে আমলে নেওয়া হচ্ছে।
এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সহায়তার এই অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় এই কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংগ্রহ
একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এর ফলে সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও মধ্যস্থতা কমবে। প্রাথমিকভাবে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।
আবেদন করতে যা যা লাগবে
যদিও আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি, তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে নিচের কাগজগুলো সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে—
১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।
২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।
৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর।
আবেদন কোথায় করবেন
পাইলট প্রকল্প শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া ঘরে বসে দ্রুত আবেদনের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার। প্রতি পরিবারে কেবল একটি কার্ড ইস্যু করা হবে, যার মাধ্যমে মাসিক নগদ টাকা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাবে।