প্রযুক্তিবিশ্বের বর্তমান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আর কেবল তাত্ত্বিক কোনো বিষয় নয়, বরং তা আমাদের প্রাত্যহিক কাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রূপান্তর সামনে রেখে গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে নিজেদের তৈরি পরবর্তী প্রজন্মের জেনবুক ডুও, জেনবুক ১৪, জেনবুক এস ১৬ এবং ভিভোবুক ১৬ মডেলের এআই ল্যাপটপ উন্মোচন করেছে আসুস বাংলাদেশ।

আসুসের নতুন এআই ল্যাপটপ
আসুসের নতুন এআই ল্যাপটপ
 

‘অলওয়েজ ইনক্রেডিবল’ থিম নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আসুসের এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পিটার চ্যাং বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো ক্ষণস্থায়ী প্রবণতা বা বুদ্‌বুদ নয়, বরং এটি ইতিমধ্যেই পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের মিথস্ক্রিয়ার ধরন বদলে দিয়েছে। আসুসের লক্ষ্য কেবল এআই সক্ষম প্রসেসর সমৃদ্ধ কম্পিউটার বিক্রি করা নয়, বরং ব্যবহারকারীরা যেন তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে প্রকৃত এআই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কাজকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা। ভবিষ্যতের কম্পিউটিং–জগৎ সম্পূর্ণভাবে এআইয়ের ওপর নির্ভরশীল হবে এবং আসুস সেই পরিবর্তনের অগ্রভাগে থাকতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আসুস বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রোডাক্ট ম্যানেজার আসাদুর রহমান নতুন ল্যাপটপগুলোর কারিগরি দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে দুই পর্দার আসুস জেনবুক ডুও। ১৪ ইঞ্চি ৩কে ওএলইডি স্পর্শনির্ভর পর্দার ল্যাপটপটিতে দুটি পর্দার আকার প্রায় ২০ ইঞ্চি হওয়ায় বড় পর্দায় কাজ করার সুবিধা পাওয়া যায়। পেশাদার প্রোগ্রামার ও আধেয় (কনটেন্ট) নির্মাতাদের উপযোগী ল্যাপটপটির দাম ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৮২ হাজার ৯৯০ টাকা। অন্যদিকে আভিজাত্য আর বহনযোগ্যতার চমৎকার সমন্বয় দেখা গেছে জেনবুক ১৪ ওএলইডি মডেলে। মাত্র ১ দশমিক ২ কেজি ওজনের এই ল্যাপটপ ভ্রমণপিপাসু পেশাজীবীদের জন্য আদর্শ, যা দীর্ঘ ১৫ ঘণ্টার বেশি ব্যাটারি লাইফ নিশ্চিত করে। ল্যাপটপটির দাম ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

জেনবুক এস ১৬ ল্যাপটপটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ‘সেরালুমিনিয়াম’, যা অ্যালুমিনিয়াম ও সিরামিকের মিশ্রণে তৈরি। ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা দামের ল্যাপটপটিতে এএমডি রাইজেন এআই প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা দামের ভিভোবুক ১৬ মডেল এনেছে আসুস।

অনুষ্ঠানে আসুস বাংলাদেশের ব্যবসা উন্নয়ন ব্যবস্থাপক মো. আল ফুয়াদ বলেন, বাংলাদেশে গেমিং ল্যাপটপ এবং ওএলইডি ল্যাপটপের বাজারে আসুস বর্তমানে শীর্ষস্থানে রয়েছে। গত দুই বছর বাজার কিছুটা নিম্নমুখী থাকলেও এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে, যা একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এ ছাড়া গ্রাহকসেবায় আসুস তাদের বিশেষ ‘পারফেক্ট ওয়ারেন্টি’ প্যাকেজটি আরও জোরদার করেছে, যা ল্যাপটপের দুর্ঘটনাজনিত যেকোনো ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে গ্রাহককে সুরক্ষা দেবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে আসুসের ব্যবসায়িক অংশীদার গ্লোবাল ব্র্যান্ড পিএলসির চেয়ারম্যান আবদুল ফাত্তাহ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আনোয়ার, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিম উদ্দিন খন্দকার প্রমুখ।

সোহানুর রহমান

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশের বাজারে নতুন মডেলের স্মার্টফোন এনেছে অনার। ‘এক্স৮ডি’ মডেলের ফোনটিতে ১০৮ মেগাপিক্সেলের এআই ক্যামেরা রয়েছে, যা দিনের উজ্জ্বল আলো থেকে শুরু করে রাতের স্বল্প আলোতেও স্পষ্ট ও নিখুঁত ছবি তুলতে পারে। ফোকাস ধরে রাখতে রয়েছে ৩এক্স লসলেস জুম। এ ছাড়া এআই ইরেজার, আপস্কেলিং, রিফ্লেকশন রিমুভাল ও আউটপেইন্টিং সুবিধা যুক্ত থাকায় সহজেই ভালো মানের ছবি তোলা যায়। গতকাল সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে অনার বাংলাদেশ।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফোনটিতে ‘এআই বাটন’ থাকায় সহজেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) বিভিন্ন সুবিধা ব্যবহার করা যায়। ৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারির পাশাপাশি ৪৫ ওয়াটের সুপারচার্জ প্রযুক্তি থাকায় দ্রুত চার্জ করা যায় ফোনটি। শুধু তা–ই নয়, প্রায় ছয় বছর ভালো থাকে ফোনটির ব্যাটারি। ফলে ব্যাটারির চার্জ শেষ হওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।

সর্বশেষ সংস্করণের স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরে চলা ফোনটিতে আল্ট্রা-ক্লিয়ার অ্যামোলেড পর্দা রয়েছে। পর্দাটির রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্টজ হওয়ায় সহজেই উন্নত রেজল্যুশনের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। ফোনটিতে ড্রপ প্রটেকশনসহ ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স-সুবিধাও রয়েছে। ফলে ফোনটি হাত থেকে পড়ে গেলে ভাঙে না বা পানিতে নষ্ট হয় না।

তিনটি রঙে বাজারে আসা ফোনটিতে ৮ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ২৫৬ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা রয়েছে। শক্তিশালী প্রসেসরের পাশাপাশি দ্রুতগতির র‍্যাম থাকায় সহজেই একসঙ্গে একাধিক কাজ দ্রুত করা যায়। ফোনটির দাম ধরা হয়েছে ৩৮ হাজার ৯৯৯ টাকা।

বিশ্বজুড়ে স্মার্ট চশমার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। আর তাই এবার নিজেদের তৈরি দুটি মডেলের স্মার্ট চশমা বাজারে আনার পরিকল্পনা করেছে মেটা। ‘স্ক্রাইবার’ এবং ‘ব্লেজার’ কোডনামের চশমা দুটিতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কাচ ব্যবহার করা যাবে। ফলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুয়ায়ী চশমা পরা ব্যক্তিরাও স্মার্ট চশমাগুলো ব্যবহার করতে পারবেন।

ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই স্মার্ট চশমাগুলো বাজারে আনার ঘোষণা দিতে পারে মেটা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) চশমাগুলোতে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, স্পিকার এবং মেটা এআই ইন্টিগ্রেশন রয়েছে। শুধু তা–ই নয়, ওয়াই-ফাই ৬ এবং ইউএনআইআই৪ ব্যান্ডও সমর্থন করবে চশমাগুলো, যা বর্তমান মডেলগুলোর তুলনায় আরও ভালো অভিজ্ঞতা দেবে। দুটি চশমার সঙ্গে পাওয়া যাবে উন্নত মানের চার্জিং কেস।

ধারণা করা হচ্ছে, ব্লেজার মডেলের চশমাটি দুটি আকারের ফ্রেমে পাওয়া যাবে। অপর দিকে স্ক্রাইবারের ফ্রেমের আকার হবে নির্দিষ্ট। তবে চশমা দুটির দাম সম্পর্কে কোনো তথ্য জানায়নি মেটা।

প্রসঙ্গত, স্মার্ট চশমার ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে। কারণ, বাইরে থেকে বোঝা কঠিন কেউ সাধারণ চশমা পরেছেন, নাকি ক্যামেরাযুক্ত স্মার্ট চশমা ব্যবহার করছেন। অথচ এ ধরনের চশমার মাধ্যমে সহজেই গোপনে ভিডিও ধারণ বা ছবি তোলা সম্ভব।

সূত্র: দ্য নেক্সট ওয়েব

ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিক্ষয় রোগ হলে মানুষের স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি ও কাজকর্ম করার ক্ষমতা ক্রমেই কমে আসে। আর তাই ডিমেনশিয়া রোগের কার্যকর চিকিৎসাপদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য কয়েক দশক ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দৈনন্দিন জীবন সহজ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) স্মার্ট চশমা তৈরি করেছে লন্ডনভিত্তিক প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ক্রসসেন্স। আশপাশের বস্তু শনাক্ত করে ব্যবহারকারীর চশমার কাচে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি শব্দের মাধ্যমে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিতে পারে স্মার্ট চশমাটি।

চশমাটি মূলত ডিমেনশিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ের রোগীদের জন্য উপযোগী করে নকশা করা হয়েছে। এটি ব্যবহারকারীর আশপাশের পরিবেশ বিশ্লেষণ করে ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়। ফলে রান্না, ওষুধ গ্রহণ বা ঘরের অন্যান্য নিয়মিত কাজ সম্পন্ন করা তুলনামূলক সহজ হয়ে ওঠে। পরীক্ষামূলক ব্যবহারে চশমাটির কার্যকারিতার ইতিবাচক প্রমাণ মিলেছে। আর তাই শিগগিরই যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবায় (এনএইচএস) এর ব্যবহার শুরু হতে পারে।

স্মার্ট চশমাটি ব্যবহার করে ডিমেনশিয়া রোগীদের প্রতি চারজনের তিনজনই জানিয়েছেন, চশমাটি তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে উল্লেখযোগ্য উন্নতি এনেছে এবং আত্মনির্ভরতা বাড়াতে সহায়তা করেছে। মাত্র ৭৫ গ্রাম ওজনের এই চশমায় পাওয়ারযুক্ত লেন্স সংযোজনের সুযোগ রয়েছে। এটি শ্রবণযন্ত্রের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। চশমাটির ব্যাটারি এক ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। তবে পোর্টেবল পাওয়ার ব্যাংকের মাধ্যমে এটি দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা সম্ভব।

চশমাটিতে ‘উইস্পি’ নামের এআই সহকারী যুক্ত করা রয়েছে। এই এআই সহকারী ব্যবহারকারীর সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে তাঁর অভ্যাস, পছন্দ ও কাজের ধরন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় তথ্য মনে করিয়ে দেয়।

শিখে নিতে পারে। রোগের অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সহকারী নিজেকে ক্রমাগত মানিয়ে নিতে পারে, ফলে ব্যবহারকারী পান আরও ব্যক্তিকেন্দ্রিক সহায়তা। দক্ষিণ লন্ডনের সাটনের বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী ক্যারোল গ্রেগ ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত। এই প্রযুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে তিনি আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘রোগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পৃথিবীটা ক্রমশ ছোট হয়ে আসে। এই ধরনের উদ্ভাবন আমাদের বাঁচার নতুন আশা দেখায়।’
সূত্র: ডেইলি মেইল

স্মার্টফোন কেনার বাজেট যত বেশি হবে, ততই ফ্ল্যাগশিপ ও প্রিমিয়াম ফিচার পাওয়া যাবে। আর তাই ৫০ হাজার টাকার বেশি দামের স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে সাধারণত আকর্ষণীয় নকশা, শক্তিশালী ক্যামেরা ও প্রসেসরসহ বিভিন্ন সুবিধা বিবেচনা করেন ক্রেতারা। দেশের বাজারে ৫০ হাজার টাকার বেশি দামের ফোনগুলোর তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

ওয়ানপ্লাস নর্ড ৫
ওয়ানপ্লাস নর্ড ৫ছবি: সংগৃহীত

১. ওয়ানপ্লাস নর্ড ৫

ফোনটিতে শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর থাকায় স্বচ্ছন্দে গেম খেলার পাশাপাশি একসঙ্গে একাধিক কাজ করা যায়। ফোনটিতে থাকা ৬.৮৩ ইঞ্চি অ্যামোলেড পর্দার রিফ্রেশ রেট ১৪৪ হার্ডজ, ফলে সহজেই উন্নত রেজোল্যুশনের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। পেছনে ৫০ ও ৮ মেগাপিক্সেলের দুটি ক্যামেরাসহ ফোনটির সামনে ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে, তাই ভালো মানের ছবি ও ভিডিও ধারণ করা সম্ভব। ১২ গিগাবাইট র্যাম এবং ৫১২ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার ফোনটির দাম ৫৩ হাজার ৯৯৯ টাকা।

ইনফিনিক্স নোট ৫০ প্রো প্লাস
ইনফিনিক্স নোট ৫০ প্রো প্লাসছবি: সংগৃহীত

২. ইনফিনিক্স নোট ৫০ প্রো প্লাস

বাজেটের মধ্যে হাই-এন্ড ফিচার দিতে ইনফিনিক্স নোট ৫০ প্রো প্লাস মডেলের ফোনটিতে ১৪৪ হার্ডজ রিফ্রেশ রেট সুবিধার অ্যামোলেড পর্দা ব্যবহার করা হয়েছে। শক্তিশালী প্রসেসরের চলা ফোনটিতে ১০০ ওয়াটের সুপার ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় দ্রুত চার্জ করা যায়। ফলে ফোনেরর চার্জ শেষ হওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। দাম ৫৪ হাজার ৯৯৯ টাকা

অনার ৪০০
অনার ৪০০ছবি: সংগৃহীত

৩. অনার ৪০০

অনারের এই ফোনে রয়েছে ২০০ মেগাপিক্সেলের বিশাল ক্যামেরা এবং ৫ হাজার নিটস ব্রাইটনেস সম্পন্ন পর্দা। ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের শক্তিশালী ব্যাটারি এবং ৮০ ওয়াটের সুপার-চার্জ সুবিধাযুক্ত ফোনটি একটানা দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়। উচ্চ রেজোল্যুশনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম ফোনটির দাম ৫৯ হাজার ৯৯০ টাকা।

রেডমি নোট ১৫ প্রো
রেডমি নোট ১৫ প্রোছবি: সংগৃহীত

৪. রেডমি নোট ১৫ প্রো

ফোনটিতে রয়েছে ৬.৮৩ ইঞ্চির ১.৫কে ক্রিস্টাল-রেস অ্যামোলেড পর্দা এবং শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর। ২০০ মেগাপিক্সেলেরের আল্ট্রা-ক্লিয়ার ক্যামেরা এবং ১০০ ওয়াট হাইপারচার্জ সুবিধার ফোনটিতে ৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারিও রয়েছে। ১২ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ৫১২ গিগাবাইট ধারণক্ষমতার ফোনটি আইপি ৬৮ প্রযুক্তি সমর্থন করায় পানি ও ধুলাবালুতে নষ্ট হয় না। দাম ৫৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

রিয়েলমি ১৫ প্রো ফাইভজি
রিয়েলমি ১৫ প্রো ফাইভজি, ছবি: সংগৃহীত

৬. রিয়েলমি ১৫ প্রো ফাইভজি

৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারির পাশাপাশি ৮০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে ফোনটিতে। ফলে একটানা দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়। ৬.৮ ইঞ্চির কার্ভড ওলেড পর্দা এবং স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরে চলা ফোনটির সামনে ও পেছনে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের শক্তিশালী ক্যামেরা। ফলে স্বচ্ছন্দে উন্নত রেজোল্যুশনের ছবি তোলা যায়। দাম ৫৯ হাজার ৯৯০ টাকা।

অপো রেনো ১৪ ফাইভ–জি
অপো রেনো ১৪ ফাইভ–জিছবি: সংগৃহীত

৭. অপো রেনো ১৪ ফাইভ–জি

ডাইমেনসিটি প্রসেসরে চলা ফোনটিতে ৫০, ৫০ ও ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা থাকায় সহজেই ভালো মানের ছবি ও ভিডিও ধারণ করা যায়। ৮০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় ফোনটির চার্জ শেষ হওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। আইপি ৬৮/৬৯ প্রযুক্তি সমর্থন করা ফোনটিতে ভালো মানের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। দাম ৫৯ হাজার ৯৯০ টাকা।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫৬ ফাইভ–জি
স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫৬ ফাইভ–জিছবি: সংগৃহীত

৮. স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫৬ ফাইভ–জি

এক্সিনস প্রসেসরে চলা ৬.৭ ইঞ্চির সুপার অ্যামোলেড পর্দার ফোনটিতে কর্নিং গরিলা গ্লাস রয়েছে। ৫০, ১২ ও ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরাযুক্ত ফোনটি আইপি ৬৭ প্রযুক্তিও সমর্থন করে। দাম ৬৪ হাজার ৪৯৯ টাকা।

ভিভো ভি৬০ ফাইভ–জি
ভিভো ভি৬০ ফাইভ–জিছবি: সংগৃহীত

৯. ভিভো ভি৬০ ফাইভ–জি

ভিভোর এই ফোনে জেইস অপটিক্স প্রযুক্তি থাকায় মোবাইল ফটোগ্রাফিতে ভিন্ন স্বাদ পাওয়া যায়। ফোনটির পেছনে ৫০, ৫০ ও ৮ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা এবং পেছনে ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং ৯০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধার ফোনটির দাম ৬৪ হাজার ৯৯৯ টাকা।

গুগল পিক্সেল ৯এ
গুগল পিক্সেল ৯এছবি: সংগৃহীত

১০. গুগল পিক্সেল ৯এ

টেনসর জি৪ প্রসেসরে চলা ফোনটিতে রয়েছে ৬.৩ ইঞ্চির পি-অ্যামোলেড পর্দা, যার রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্ডজ। ফোনটির পেছনে থাকা ৪৮ ও ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা দিয়ে সহজেই উন্নত রেজোল্যুশনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করা যায়। দাম ৬৬ হাজার ৯৯০ টাকা।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫এফই
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫এফইছবি: সংগৃহীত

১১. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫এফই

স্যামসাংয়ের এই ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭ ইঞ্চির ডাইনামিক এলটিপিও অ্যামোলেড ২এক্স পর্দা এবং শক্তিশালী এক্সিনস প্রসেসর। ফোনটির পেছনে ৫০, ৮ ও ১২ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা থাকায় ভালো মানের ছবি ও ভিডিও ধারণ করা যায়। আইপি ৬৮ রেটিং এবং ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধার ফোনটির দাম ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

আইফোন ১৪
আইফোন ১৪ছবি: সংগৃহীত

১২. আইফোন ১৪

কম বাজেটের আইফোনপ্রেমীদের কাছে আইফোন ১৪ বেশ জনপ্রিয়। ফোনটিতে রয়েছে অ্যাপলের নিজস্ব এ১৫ বায়োনিক চিপ এবং ৬.১ ইঞ্চির সুপার রেটিনা এক্সডিআর পর্দা। ফোনটির ১২ মেগাপিক্সেল ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ সিনেমাটিক মোড এবং অ্যাকশন মোডের জন্য বিখ্যাত। দাম ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স
আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সছবি: সংগৃহীত

১৩. আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স

এ১৯ প্রো প্রসেসরে চলা আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ফোনে ৪৮, ৪৮ ও ৪৮ মেগাপিক্সেলের তিনটি ক্যামেরা রয়েছে। নতুন ক্যামেরা কন্ট্রোল এবং অ্যাকশন বাটন ফোনটি ব্যবহারকে আরও সহজ করেছে। ৬.৯ ইঞ্চির বিশাল সুপার রেটিনা এক্সডিআর পর্দার ফোনটির দাম ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা
স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রাছবি: সংগৃহীত

১৪.স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা ফোনে বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েডের বিভিন্ন ফিচারের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে রয়েছে ২০০ মেগাপিক্সেলের কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ এবং স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট প্রসেসর। দাম ১ লাখ ১৮ হাজার ৯৯৯ টাকা।

অনার ম্যাজিক ৮ প্রো
অনার ম্যাজিক ৮ প্রো, ছবি: সংগৃহীত

১৫. অনার ম্যাজিক ৮ প্রো

অনারের এই ফ্ল্যাগশিপ ফোনে রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর এবং ৬ হাজার নিটস পিক ব্রাইটনেস সম্পন্ন ওলেড পর্দা। ফোনটির ক্যামেরায় ২০০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা নাইট টেলিফটো লেন্স রয়েছে, যা দিয়ে ১০০ গুণ ডিজিটাল জুম করা সম্ভব। ৩ডি আল্ট্রাসনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ন্যানো ক্রিস্টাল শিল্ড সুরক্ষাসুবিধার ফোনটির দাম ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

১৬. গুগল পিক্সেল ১০ প্রো ও পিক্সেল ৯ প্রো এক্সএল

গুগলের নিজস্ব টেনসর প্রসেসরে চলা পিক্সেল ১০ প্রো ও গুগল পিক্সেল ১০ প্রো ও পিক্সেল ৯ প্রো এক্সএল বর্তমানে এআই ফিচারের জন্য সেরা। ফোন দুটিতে ৫০, ৪৮ ও ৪৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা রয়েছে। ফোন দুটির দাম যথাক্রমে ১ লাখ ১৪ হাজার ও ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

ভিভো এক্স৩০০ প্রো
ভিভো এক্স৩০০ প্রোছবি: সংগৃহীত

১৭. ভিভো এক্স৩০০ প্রো

ভিভোর ফোনটিতে রয়েছে ডাইমেনসিটি ৯৫০০ প্রসেসর এবং ৫০, ২০০ ও ৫০ মেগাপিক্সেলের শক্তিশালী ক্যামেরা। আল্ট্রাসনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরযুক্ত ফোনটি আইপি ৬৮/৬৯ প্রযুক্তি সমর্থন করায় পানি ও ধুলাবালুতে নষ্ট হয় না। দাম ১ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকা।

অনার ম্যাজিক ভিথ্রি
অনার ম্যাজিক ভিথ্রিছবি: সংগৃহীত

১৮. অনার ম্যাজিক ভিথ্রি

এই ফোনকে বলা হচ্ছে বর্তমানের বিশ্বের অন্যতম পাতলা ফোল্ডেবল বা ভাঁজযোগ্য ফোন। স্পেশাল অ্যারোস্পেস ফাইবার দিয়ে তৈরি এই ফোনে রয়েছে ৭.৯২ ইঞ্চির বিশাল ইনার পর্দা। স্ন্যাপড্রাগন ৮ জেন ৩ প্রসেসর এবং ৫ হাজার ১৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারিসমৃদ্ধ এই ফোনটির দাম ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

জাহিদ হোসাইন খান

ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। পছন্দের পোশাকের পাশাপাশি ঈদে নতুন মডেলের স্মার্টফোন কেনেন অনেকে। কেউ আবার প্রিয়জনকে ঈদ উপহার দিতে বেছে নেন স্মার্টফোন। ঈদের বাজারে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে অ্যামোলেড পর্দা, শক্তিশালী প্রসেসর এবং দ্রুতগতির চার্জিং সুবিধার ফোনগুলোর তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

ভিভো ওয়াই২১ডি
ভিভো ওয়াই২১, ডিছবি: সংগৃহীত

১. ভিভো ওয়াই২১ডি

৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারিযুক্ত ফোনটিতে ৪৪ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় চার্জ শেষ হওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। ফোনটিতে থাকা ৬.৬৮ ইঞ্চি এইচডি প্লাস আইপিএস এলসিডি পর্দার রিফ্রেশ রেট ৯০ হার্ডজ এবং উজ্জ্বলতা ১ হাজার নিটস। ফলে সহজেই উন্নত রেজোল্যুশন ও গ্রাফিকসের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। ইউনিসক প্রসেসরে চলা ফোনটির পেছনে ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা এবং সামনে ৫ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা রয়েছে। দাম ২০ হাজার ২৫০ টাকা।

ইনফিনিক্স হট ৬০ প্রো
ইনফিনিক্স হট ৬০ প্রো, ছবি: সংগৃহীত

২. ইনফিনিক্স হট ৬০ প্রো

কম বাজেটে প্রিমিয়াম ১.৫কে রেজোল্যুশন এবং ১৪৪ হার্ডজ অ্যামোলেড পর্দা ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যায় ফোনটিতে। হেলিও প্রসেসরে চলা ফোনটিতে ৪৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় দ্রুত চার্জ করা যায়। দাম ২০ হাজার ৪৫০ টাকা।

রিয়েলমি সি৮৫ প্রো
রিয়েলমি সি৮৫ প্রোছবি: সংগৃহীত

৩. রিয়েলমি সি৮৫ প্রো

মিলিটারিগ্রেড সুরক্ষা এবং আইপি৬৯ প্রো রেটিং সুবিধার ফোনটি অত্যন্ত টেকসই বা মজবুতভাবে তৈরি করা হয়েছে। ফোনটিতে থাকা ৬.৮ ইঞ্চির এফএইচডি প্লাস পর্দার রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্ডজ হওয়ায় সহজেই উন্নত রেজোল্যুশন ও গ্রাফিকসের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। দাম ২১ হাজার ৫৫০ টাকা।

অনার এক্স৭ডি
অনার এক্স৭ডিছবি: সংগৃহীত

৪. অনার এক্স৭ডি

ফোনটিতে ৮ গিগাবাইট র‍্যামের পাশাপাশি ৫১২ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা রয়েছে। ১২০ হার্ডজ রিফ্রেশ রেটসুবিধার ৬.৭৭ ইঞ্চি পর্দাযুক্ত ফোনটিতে স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসর থাকায় দ্রুত বিভিন্ন কাজ করা যায়। ১০৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরাযুক্ত ফোনটিতে ৬ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারির পাশাপাশি ৩৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধাও রয়েছে, ফলে চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। অ্যান্ড্রয়েড ১৫ অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনটি আইপি ৬৫ রেটিং সমর্থন করায় ধুলাবালু বা পানির ঝাপটায় নষ্ট হয় না। দাম ২১ হাজার ৯৯৯ টাকা

অপো এ৬
অপো এ৬ছবি: সংগৃহীত

৫.অপো এ৬

৭ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারিযুক্ত ফোনটিতে ১২০ হার্ডজ রিফ্রেশ রেট সুবিধার ৬.৭৫ ইঞ্চি পর্দা রয়েছে। স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫ প্রসেসর থাকায় একসঙ্গে একাধিক কাজ দ্রুত করা যায় ফোনটিতে। আইপি৬৯ রেটিং সমর্থন করা ফোনটি ধুলাবালু ও পানির ঝাপটায় নষ্ট হয় না। দাম ২২ হাজার ৯৫০ টাকা।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ১৭ ফাইভজি
স্যামসাং গ্যালাক্সি এ১৭ ফাইভজিছবি: সংগৃহীত

৬. স্যামসাং গ্যালাক্সি এ১৭ ফাইভজি

৬.৭ ইঞ্চির সুপার অ্যামোলেড পর্দার ফোনটিতে এক্সিনস প্রসেসর থাকায় দ্রুত বিভিন্ন কাজ করা যায়। ৫০ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরাযুক্ত ফোনটিতে ৫ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারির পাশাপাশি ২৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে, ফলে চার্জ শেষ হলেও দ্রুত চার্জ করা যায়। দাম ২৫ হাজার ৯৫০ টাকা।

মটোরোলা মটো জি৯৬
মটোরোলা মটো জি৯৬ছবি: সংগৃহীত

৭. মটোরোলা মটো জি৯৬

স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরে চলা ফোনটিতে ১৪৪ হার্ডজ রিফ্রেশ রেটসুবিধার ৬.৬৭ ইঞ্চি পর্দা থাকায় উন্নত রেজোল্যুশনের গেম খেলার পাশাপাশি ভিডিও দেখা যায়। ফোনটির পেছনে ৫০ ও ৮ মেগাপিক্সেলের ডুয়াল ক্যামেরা রয়েছে, ফলে সহজেই ওআইএস এবং ৪কে ভিডিও ধারণ করা যায়। সেলফি তোলার জন্য ফোনটির সামনে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। দাম ২৬ হাজার ৯৯৯ টাকা।

টেকনো পোভা স্লিম
টেকনো পোভা স্লিমছবি: সংগৃহীত

৮. টেকনো পোভা স্লিম

টেকনো পোভা স্লিম ফোনটিতে রয়েছে ৪ হাজার ৫০০ নিটস উজ্জ্বলতার অ্যামোলেড পর্দা। ডাইমেনসিটি প্রসেসরে চলা ফোনটিতে অপটিক্যাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ৪৫ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে, ফলে সহজেই দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা যায়। দাম ২৮ হাজার ৮০০ টাকা।

ইনফিনিক্স নোট ৫০ প্রো
ইনফিনিক্স নোট ৫০ প্রোছবি: সংগৃহীত

৯. ইনফিনিক্স নোট ৫০ প্রো

হেলিও প্রসেসরে চলা ইনফিনিক্সের এই ফোনে রয়েছে ১৪৪ হার্ডজ রিফ্রেশ রেটযুক্ত এফএইচডি প্লাস অ্যামোলেড পর্দা। ৯০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় অল্প সময়ে পূর্ণ চার্জ করা যায় ফোনটি। ফলে চার্জ শেষ হওয়া নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরাযুক্ত ফোনটিতে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরও রয়েছে। দাম ২৯ হাজার ৩৫০ টাকা।

রেডমি নোট ১৫
রেডমি নোট ১৫ছবি: সংগৃহীত

১০. রেডমি নোট ১৫

ফোনটিতে থাকা ৬.৭৭ ইঞ্চির অ্যামোলেড পর্দার রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্ডজ এবং উজ্জ্বলতা ৩ হাজার ২০০ নিটস। ফলে সহজেই উন্নত রেজোল্যুশন ও গ্রাফিকসের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়। হেলিও প্রসেসরে চলা ফোনটির পেছনে ১০৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা এবং সামনে ২০ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা রয়েছে। ৬ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিযুক্ত ফোনটিতে ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সুবিধা থাকায় দ্রুত চার্জ করা যায়। দাম ২৯ হাজার ৯৯৯ টাকা।

জাহিদ হোসাইন খান

Page 1 of 2

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব