• ৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

    ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ

    সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ১১৭.১ ওভারে ৪১৩ ( নাজমুল ১০১, মুমিনুল ৯১, মুশফিক ৭১, লিটন ৩৩, তাসকিন ২৮, তাইজুল ১৭, সাদমান ১৩ ; আব্বাস ৫/৯২, আফ্রিদি ৩/১১৩, হাসান ১/৭৫, নোমান ১/৮০)।

    ১১৮তম ওভারে শাহিন আফ্রিদির প্রথম বলে স্লিপে দারুণ ডাইভে তাসকিনের ক্যাচ নেন সৌদ শাকিল। এই আউটের মধ্য দিয়ে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হলো বাংলাদেশ।

    শেষ উইকেটে তাসকিন–নাহিদের ৩৯ বলে ২৯ রানের জুটিতে দলীয় স্কোর চার শ পার করতে পেরেছে বাংলাদেশ। এই জুটিতে তাসকিনের অবদান ১৬ বলে ২৪, নাহিদের ২৩ বলে ৪।

    ১ ছক্কা ও ৩ চারে ১৯ বলে ২৮ রানে আউট হলেন তাসকিন। আগের দিন একটি এবং আজ চারটি উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠবারের মতো ইনিংসে ন্যূনতম ৫ উইকেট পেলেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। তাঁর বোলিং ফিগার ৩৪–৮–৯২–৫।

    তাসকিন–নাহিদের জুটিতে চার শ পার হয় বাংলাদেশ
    তাসকিন–নাহিদের জুটিতে চার শ পার হয় বাংলাদেশ
     

    ৮৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩০১ রানে গতকাল প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ। আজ ৩২.১ ওভার ব্যাট করে বাকি ৬ উইকেট হারিয়ে ১১২ রান তুলতে পেরেছে বাংলাদেশ।

    আগের দিন ৪৮ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিক আজ ৭১ রানে আউট হন। লিটন করেন ৩৩ রান। দলীয় ৩৭৮ রানে ২৪ বলের মধ্যে তাইজুল, মুশফিক ও ইবাদতকে হারায় বাংলাদেশ।

    ৫ উইকেট নেন আব্বাস। বাংলাদেশ অলআউট হওয়ার পর বলটি কি স্যূভনির হিসেবে রেখে দিলেন আব্বাস
    ৫ উইকেট নেন আব্বাস। বাংলাদেশ অলআউট হওয়ার পর বলটি কি স্যূভনির হিসেবে রেখে দিলেন আব্বাসশামসুল হক
  • ৪৯ বছর বয়সেও দারুণ ফিট শাকিরা, রহস্যটা জানালেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষক

    মঞ্চে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নাচ, গানের পরিবেশনা, বিশ্বজুড়ে ট্যুর—এসব সামলেও ৪৯ বছর বয়সে অসাধারণ ফিটনেস ধরে রেখেছেন শাকিরা। তাঁর ঝরঝরে শরীর, শক্তি আর সহনশীলতা দেখে অনেকেই জানতে চান, কীভাবে নিজেকে এতটা ফিট রাখেন এই পপ তারকা? শাকিরার দীর্ঘদিনের ফিটনেস প্রশিক্ষক অ্যানা কাইজার। গত বছরের শেষ দিকে তিনি জানিয়েছেন শাকিরার ব্যায়াম ও খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে কিছু তথ্য। সেখান থেকে জানা যায়, শাকিরার ফিটনেসের মূল রহস্য লুকিয়ে আছে নিয়মিত শরীরচর্চা, নাচ ও সুষম খাদ্যাভ্যাসে।

    [caption id="attachment_275945" align="alignnone" width="516"] ৪৯ বছর বয়সে অসাধারণ ফিটনেস ধরে রেখেছেন শাকিরা, ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে[/caption]

    নাচ যখন প্রধান কার্ডিও

    শাকিরার ব্যায়ামের বড় অংশজুড়ে থাকে নাচ। তবে শুধু নাচ নয়, এর সঙ্গে শক্তি বাড়ানোর ব্যায়ামও করেন।

    তাঁর প্রশিক্ষকের ভাষ্য অনুযায়ী, বেশির ভাগ সময় তাঁরা ‘ড্যান্স-কার্ডিও’ করেন। অর্থাৎ এমন ব্যায়াম, যেখানে নাচের বিভিন্ন মুভমেন্টের মাধ্যমে হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্ষমতা, সহনশীলতা ও ক্যালরি খরচ বাড়ানো হয়।

    মজার বিষয় হলো, অনুশীলনের সময় শেখা কিছু নাচের ধাপ পরবর্তী সময়ে মঞ্চ পরিবেশনায়ও কাজে লাগান শাকিরা।

    হালকা ওজন ও পুনরাবৃত্তি

    অনুশীলনের সময় শেখা কিছু নাচের ধাপ পরবর্তী সময়ে মঞ্চ পরিবেশনায়ও কাজে লাগান শাকিরা
    অনুশীলনের সময় শেখা কিছু নাচের ধাপ পরবর্তী সময়ে মঞ্চ পরিবেশনায়ও কাজে লাগান শাকিরাছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

    অনেকেই মনে করেন, পেশি গঠনের জন্য ভারী ওজন তুলতে হয়। তবে শাকিরার ক্ষেত্রে চিত্র কিছুটা ভিন্ন।

    শাকিরা ব্যায়ামে তুলনামূলক হালকা ওজন ব্যবহার করেন এবং একটি ব্যায়াম বারবার করেন। এই পদ্ধতি শরীরকে ‘টোনড’ বা সুগঠিত রাখতে সাহায্য করে, আবার অতিরিক্ত চাপও তৈরি করে না।

    এ ছাড়া তাঁর ব্যায়ামগুলো বেশির ভাগই ‘লো ইমপ্যাক্ট’–এর। এটি এমন শারীরিক কসরত, যা শরীরের হাঁটু, গোড়ালি ও কোমরের মতো অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টগুলোয় অতিরিক্ত ঝাঁকুনি বা চাপ সৃষ্টি করে না। এসব ব্যায়ামের সময় সব সময় অন্তত একটি পা মাটিতে থাকে, ফলে জয়েন্টে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

    পেটের ব্যায়ামে বিশেষ গুরুত্ব

    অ্যাবস বা পেটের পেশি নিয়েও শাকিরা বিশেষ মনোযোগী। এর পেছনেও আছে নিয়মিত অনুশীলন
    অ্যাবস বা পেটের পেশি নিয়েও শাকিরা বিশেষ মনোযোগী। এর পেছনেও আছে নিয়মিত অনুশীলনছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

    অ্যাবস বা পেটের পেশি নিয়েও শাকিরা বিশেষ মনোযোগী। এর পেছনেও আছে নিয়মিত অনুশীলন।

    তাঁর ওয়ার্কআউটের শেষ দিকে সাধারণত কোর বা পেটের পেশির ব্যায়াম থাকে। এর মধ্যে আছে বিভিন্ন ধরনের সিট-আপ ও পিলাটেসভিত্তিক অনুশীলন।

    ব্যায়ামের পর প্রোটিন

    ব্যায়ামের ৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন শাকিরা
    ব্যায়ামের ৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন শাকিরাছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

    ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যায়ামের পর শরীরকে যথাযথ পুষ্টি দেওয়া জরুরি। শাকিরাও এই নিয়ম মেনে চলেন।

    তাঁর প্রশিক্ষক জানিয়েছেন, ব্যায়ামের ৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন শাকিরা। এতে পেশি পুনর্গঠন হয় এবং শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি ফিরে পায়।

    আর কী খান শাকিরা

    শাকিরার খাদ্যতালিকায় থাকে পুষ্টিকর ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার।

    দিনের শুরুতে সাধারণত অমলেট ও শাকসবজি খান। দুপুরে থাকে প্রোটিনসমৃদ্ধ সালাদ। আর রাতের খাবারে থাকে ভাপানো সবজি ও প্রোটিনের কোনো উৎস।

    এ ছাড়া দিনের বিভিন্ন সময়ে স্যুপ, সবজি ও প্রোটিন শেকের মতো পুষ্টিকর খাবার খান। সাধারণত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর কিছু না কিছু খাওয়ার চেষ্টা করেন, যাতে শক্তির ঘাটতি না হয়।

    নিয়মিত ব্যায়াম, সক্রিয় জীবনযাপন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসই শাকিরার ফিট থাকার মূল রহস্য
    নিয়মিত ব্যায়াম, সক্রিয় জীবনযাপন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসই শাকিরার ফিট থাকার মূল রহস্যছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

    শুধু ডায়েট নয়, ধারাবাহিকতাই মূল চাবিকাঠি

    শাকিরার ফিটনেস রুটিন দেখে একটি বিষয় স্পষ্ট—কোনো জাদুকরি ডায়েট বা কঠিন শর্টকাট নয়; বরং নিয়মিত ব্যায়াম, সক্রিয় জীবনযাপন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসই তাঁর ফিট থাকার মূল রহস্য।

    সূত্র: ইকোনমিক টাইমস

  • ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে নাসির-তামিমার

    আদালতে দোষ প্রমাণিত হলে ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ড হতে পারে ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমার।

    আইনিভাবে বিচ্ছেদের আগেই নতুন করে বিয়ে করার অভিযোগ অস্বীকার করে আদালতে সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন ক্রিকেটার নাসির হোসেনের স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি।

    সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে নিজেদের নিরপরাধ দাবি করে ন্যায়বিচার চান তিনি।

    মামলায় নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর আগে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

    ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরার একটি রেস্তোরাঁয় নাসির ও তামিমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। তামিমা তার আগের স্বামীকে তালাক না দিয়ে নাসিরকে বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তামিমা ও নাসিরের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন তামিমার আগের স্বামী রাকিব হাসান।

    এ মামলায় দোষ প্রমাণিত হলে ৫ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী।

     

  • ৫৪ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভাঙার পথে বায়ার্ন

    বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখ মানেই যেন গোল–উৎসব! কয়েক বছর ধরে প্রতি মৌসুমেই তারা প্রতিপক্ষকে গোলের বন্যায় ভাসাচ্ছে। আগের তিন মৌসুমেই লিগে ৯০–এর বেশি গোল করেছে দলটি। এবার ২৭ ম্যাচ খেলেই নতুন রেকর্ড গড়ার পথে বাভারিয়ানরা।

    ১৯৭১–৭২ মৌসুমে লিগে ১০১ গোল করেছিল বায়ার্ন, যা এখনো এক মৌসুমে লিগে কোনো দলের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড। ৫৪ বছর পর নিজেদের সেই রেকর্ডই এবার ভাঙার পথে দলটি। লিগে এখনো সাত ম্যাচ বাকি বায়ার্নের। এরই মধ্যে বায়ার্ন গোল করেছে ৯৭টি। বাকি সাত ম্যাচে অন্তত পাঁচ গোল করলেই ১৯৭১–৭২ মৌসুমে করা সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি ভেঙে যাবে।

    বায়ার্ন এবার তাদের ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পথে
    বায়ার্ন এবার তাদের ক্লাব ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পথে, এএফপি
     

    হয়তো এত দিন অপেক্ষাও করতে হবে না বায়ার্ন সমর্থকদের। তার আগেই মাইলফলকটা ছুঁয়ে ফেলবে জার্মান ক্লাবটি। আগামী শনিবার লিগে নিজেদের ২৮তম ম্যাচে ফ্রাইবুর্গের মুখোমুখি হবে বায়ার্ন। হয়তো সেই ম্যাচেই বায়ার্নের গোলের সংখ্যা ১০১ পেরিয়ে যাবে। গত বছরের নভেম্বরে ফ্রাইবার্গের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচেই ৬ গোল দিয়েছিল জার্মান জায়ান্টরা।

    শুধু এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল করাই নয়, আরও দুই রেকর্ড ভাঙার সুযোগ বায়ার্নের সামনে। ঘরের মাঠে এবং প্রতিপক্ষের মাঠে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডও নতুন করে লিখতে পারে বায়ার্ন। এ মৌসুমে ২৭ ম্যাচ খেলা বায়ার্ন ঘরের মাঠেই গোল করেছে ৫৬টি, প্রতিপক্ষের মাঠে ৪১টি। এখন পর্যন্ত ঘরের মাঠে এক মৌসুমে বায়ার্নের সর্বোচ্চ গোল ৬৯; ১৯৭১–৭২ মৌসুমে করেছিল তারা। অ্যাওয়তে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল ৪৭, যা ২০১৯–২০ মৌসুমে করেছিল বায়ার্ন।

    চলতি মৌসুমে বায়ার্নের এই ৯০ পেরোনো গোলে সবচেয়ে বেশি অবদান হ্যারি কেইনের। লিগে ২৬ ম্যাচ খেলে ৩১ গোল করেছেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার।

  • ৫৪ বলে সেঞ্চুরি মুশফিকুর রহিমের, পরপর দুই ম্যাচে হৃদয়ের

    ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আজ ৬ ম্যাচের একটিতে খেলাই হয়নি। ব্রাদার্স ইউনিয়নের খেলোয়াড়েরা ম্যাচ বয়কট করায় ওয়াকওভার পেয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। বাকি ৫ ম্যাচে খেলা হলেও ফল হয়নি, বৃষ্টিতে সব ম্যাচই রিজার্ভ ডেতে চলে গেছে। ফলহীন দিনে ব্যাট হাতে ব্যাটিংয়ে নিজেদের আলাদা করেছেন মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয় ও ইরফান শুক্কুর। মোহামেডান ও লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের এই তিন ক্রিকেটার সেঞ্চুরি করেছেন।

    মুশফিক ও হৃদয়ের সেঞ্চুরি

    পিকেএসপিতে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১০৭ রানের উদ্বোধনী জুটি পেয়েছিল মোহামেডান। দুই ওপেনারই অবশ্য হাফ সেঞ্চুরির পর বেশি দূর এগোতে পারেননি। ৬০ বল খেলে মোহাম্মদ নাঈম ৫৩ আর এনামুল হক ৬৮ বল খেলে আউট হন ৬২ রানে।

    এরপরই অধিনায়ক হৃদয় জুটি বাঁধেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে। তাঁরা আর ফিফটিতে থেমে যাননি। দুজন মিলে তৃতীয় উইকেটে গড়েন ১৭৩ রানের জুটি। সেঞ্চুরিও পেয়ে যান দুজনই।

    ৮ চার ও ৬ ছক্কায় মুশফিক সেঞ্চুরিতে পৌঁছান মাত্র ৫৪ বলে। এটি লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে তাঁর ১৬তম সেঞ্চুরি। হৃদয়েরও তিন অঙ্ক স্পর্শ করতে বেশি বল লাগেনি। ৬৫ বলে ছুঁয়েছেন লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। মুশফিক ৫৫ বলে ১০০ করে আউট হলেও হৃদয় ৬৬ বলে ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন। হৃদয় আগের ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষেও সেঞ্চুরি করেছিলেন। দুই সেঞ্চুরির সুবাদে বৃষ্টির কারণে ৪২ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৩৩ রান করে মোহামেডান। রান তাড়ায় গাজী গ্রুপ ৪.৩ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৪২ রান তোলার পর আবার বৃষ্টি নামায় ম্যাচ অসমাপ্ত রয়ে গেছে। বাকি খেলা আগামীকাল।

    ইরফান শুক্কুরের সেঞ্চুরি

    সেঞ্চুরি পেয়েছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ইরফান শুক্কুরও। বিকেএসপিতে আবাহনীর বিপক্ষে ৯৯ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১১৯ রান করেন এই বাঁহাতি। ৭০ বলে ৭২ রান আসে মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকে। যদিও বাকিদের ব্যর্থতায় ২৭৫ রানের বেশি করতে পারেনি লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। রান তাড়ায় আবাহনী ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫১ রান করার পর বৃষ্টি নামে।

    বাকি ম্যাচেও বৃষ্টি

    ভারী বৃষ্টি আর ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ইউল্যাব মাঠে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স আর ঢাকা লেপার্ডের ম্যাচে খেলা হয়েছে ২৭.৫ ওভার। সাইফ হাসানের ৮৭ বলে অপরাজিত ৫৪ রানে ভর করে ২ উইকেটে ১০৬ রান করেছে বসুন্ধরা। ম্যাচের বাকি অংশ আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে।

    বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সের মাঠে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেছে গুলশান ক্রিকেট ক্লাব। ৪৬ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ২১০ রান করে অলআউট হয় তারা। রান তাড়ায় সিটি ১২ ওভারে ৪২ তুলতে হারিয়েছে ৭ উইকেট।

    ক্রিকেটার্স একাডেমিতে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব ও রূপগঞ্জ টাইগার্সের ম্যাচে বৃষ্টির কারণে খেলা হয়েছে মাত্র ১৭ ওভার। ১ উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান তুলেছে আগে ব্যাট করতে নামা প্রাইম ব্যাংক।

    দিনের অন্য খেলায় ওয়াকওভার পেয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। পারিশ্রমিক না পাওয়ায় মাঠে নামতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্রিকেটাররা।

  • ৬০০ মিলিয়ন ডলার আয়! বিশ্বজুড়ে মাইকেল–ঝড় চলছেই

    সমালোচকেরা পাত্তা না দিলেও মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক ‘মাইকেল’। গত ২৪ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রথম দিনেই প্রায় ৩৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে ছবিটি। মুক্তির পর ২০ দিনের বেশি পেরিয়ে গেলেও বক্স অফিসে ‘মাইকল’–ঝড় চলছেই। মধ্যে বক্স অফিসের শীর্ষস্থান থেকে সেরে গেলেও আবারও উত্তর আমেরিকায় শীর্ষ ফিরেছে সিনেমাটি। অ্যান্টনি ফুকোয়া পরিচালিত ছবিটি নতুন করে গতি পেয়েছে আইম্যাক্স ও অন্যান্য প্রিমিয়াম স্ক্রিন ফিরে পাওয়ায়।

    ছবিটিতে মাইকেল জ্যাকসনের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তাঁরই ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় ৬০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এটিই এখন উত্তর আমেরিকায় এটি এখন সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা সংগীতভিত্তিক বায়োপিক—অন্তত মূল্যস্ফীতি সমন্বয় ছাড়া হিসাব করলে। এর আগে শীর্ষে ছিল ‘বোহেমিয়ান র‍্যাপসোডি’।  

    ‘মাইকেল’–এ জাফর জ্যাকসন। আইএমডিবি
    ‘মাইকেল’–এ জাফর জ্যাকসন। আইএমডিবি

    বিশ্লেষকদের ধারণা, চলতি সপ্তাহান্তে ‘মাইকেল’ যুক্তরাষ্ট্রে আরও প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার আয় করতে পারে। এর পেছনে বড় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ‘মর্টাল কম্ব্যাট ২’–এর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থতাকে। গত সপ্তাহে অধিকাংশ আইম্যাক্স স্ক্রিন দখলে থাকলেও দর্শকের উচ্ছ্বাস ধরে রাখতে পারেনি ভিডিও গেম অবলম্বনে নির্মিত এই অ্যাকশন সিক্যুয়েল। ফলে প্রিমিয়াম স্ক্রিনের বড় অংশ আবার চলে গেছে ‘মাইকেল’-এর দখলে।
    অন্যদিকে বক্স অফিসে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে ‘দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা ২’।

    ডেভিড ফ্র্যাঙ্কেল পরিচালিত ছবিটি শুক্রবার বিশ্বব্যাপী ৫০ কোটি ডলার আয়ের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ফলে ‘বার্বি’র পর এটিই এখন সবচেয়ে বেশি আয় করা নারীপ্রধান চলচ্চিত্র। সপ্তাহ শেষে উত্তর আমেরিকায় ছবিটির আয় দাঁড়াতে পারে প্রায় ১৭ কোটি ৮০ লাখ ডলারে।

    ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’–এর পোস্টার। আইএমডিবি
    ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’–এর পোস্টার। আইএমডিবি

    তবে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে নতুন এক চমকও। তরুণ নির্মাতা কারি বারকারের অতিপ্রাকৃত হরর ছবি ‘ওবসেশন’ প্রত্যাশার চেয়ে অনেক ভালো সূচনা করেছে। মাত্র সাড়ে সাত লাখ ডলারে নির্মিত ছবিটি প্রথম সপ্তাহেই আয় করতে যাচ্ছে প্রায় দেড় কোটি ডলার। সমালোচক ও দর্শক—দুই পক্ষের কাছ থেকেই দারুণ সাড়া পাচ্ছে ছবিটি। রটেন টমেটোসে সমালোচক ও দর্শক উভয় বিভাগেই ছবিটির স্কোর ৯৪ শতাংশ।

    ‘অবসেশন’-এ অভিনয় করেছেন মাইকেল জনস্টন ও ইনদে নেভারেতি। গল্পে দেখা যায়, এক তরুণ বহুদিন ধরে ভালোবাসে তার বন্ধু নিকিকে। এক রহস্যময় ‘ওয়ান উইশ উইলো’ পাওয়ার পর সে এমন এক ইচ্ছা করে বসে, যা ডেকে আনে ভয়াবহ পরিণতি।
    এদিকে ‘মর্টাল কম্ব্যাট ২’ সপ্তাহে বড় ধাক্কা খেতে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ছবিটির আয় প্রায় ৬৭ শতাংশ কমে ১ কোটি ২০ থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ ডলারের মধ্যে নামতে পারে।
    শীর্ষ পাঁচে জায়গা ধরে রাখতে পারে ‘দ্য শিপ ডিটেকটিভস’। পরিবারকেন্দ্রিক এই কমেডি-রহস্য ছবিতে একদল কথা বলা ভেড়া তাদের প্রিয় রাখালের মৃত্যুর রহস্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা করে।

    দ্য হলিউড রিপোর্টার অবলম্বনে

  • ৭ দিন বন্ধের পর বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি শুরু

    টানা ৭ দিন বন্ধ থাকার পর বেনাপোল বন্দর দিয়ে আজ সকাল থেকে দু'দেশের  মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।

    সোমবার (১ জুন) আমদানি-রফতানি বাণিজ্য চালু হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন বন্দর পরিচালক পরিচালক শামীম  রেজা।

    তিনি জানান, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় গত ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত  টানা ৭দিন বেনাপোল ও ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে  আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধসহ বন্দরের  সকল কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সরকারি ছুটি শেষে আজ সোমবার সকাল থেকে দু'দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যেই কাজে যোগ দিয়েছে বন্দরের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা। চলছে লোড আনলোসহ সব ধরনের কার্যক্রম। পাশাপাশি কর্মচঞ্চলতা ফিরে এসেছে বন্দর এলাকায়।

  • ৭ পুরস্কার জিতে চমকে দিলেন, কে এই তরুণ গায়িকা

    কান্ট্রি মিউজিকের সবচেয়ে বড় রাতটি যেন একাই নিজের করে নিলেন তরুণ গায়িকা এলা ল্যাংলি। এক রাতে সাতটি পুরস্কার জিতে ২০২৬ সালের একাডেমি অব কান্ট্রি মিউজিক অ্যাওয়ার্ডসের সবচেয়ে বড় তারকায় পরিণত হয়েছেন তিনি। অন্যদিকে বহুদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রথমবারের মতো ‘এন্টারটেইনার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার জিতেছেন কোডি জনসন।

    যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের এমজিএম গ্র্যান্ড গার্ডেন অ্যারেনায় বসেছিল কান্ট্রি মিউজিকের ৬১তম এ আয়োজন। পুরো অনুষ্ঠানেই ছিল এলা ল্যাংলির দাপট। যেসব বিভাগে তিনি মনোনয়ন পেয়েছিলেন, প্রতিটিতেই জয় তুলে নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে বর্ষসেরা নারী শিল্পী, শিল্পী-গীতিকার, বছরের সেরা গান ও সিঙ্গেল—সবই তাঁর জনপ্রিয় গান ‘চুজ ইন টেক্সাস’-এর জন্য।

    রাতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘এন্টারটেইনার অব দ্য ইয়ার’ গেছে কোডি জনসনের হাতে। রয়টার্স
    রাতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘এন্টারটেইনার অব দ্য ইয়ার’ গেছে কোডি জনসনের হাতে। রয়টার্স

    মঞ্চে বারবার উঠে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এলা। শেষ পুরস্কার গ্রহণ করতে গিয়ে কিছুক্ষণ কথা পর্যন্ত বলতে পারেননি। পরে কাঁপা কণ্ঠে বলেন, ‘আমি কিছু বলতে চাইছি, কিন্তু পারছি না।’ এরপর সহশিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। বিশেষ করে লেইনলি উইলসন ও মিরান্ডা ল্যাম্বার্টের কথা আলাদা করে উল্লেখ করেন।

    তবে রাতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘এন্টারটেইনার অব দ্য ইয়ার’ গেছে কোডি জনসনের হাতে। পুরস্কার গ্রহণের সময় তিনি বলেন, ‘সংগীত পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী নেশা।’ একই সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনকে আলাদা রাখার কথাও জানান এই শিল্পী। তাঁর ভাষায়, ‘বাড়িতে ফিরলে আমি শুধু একজন স্বামী, বাবা আর খামারি।’
    এদিন সেরা পুরুষ শিল্পীর পুরস্কারও জেতেন কোডি জনসন।

    পুরস্কার হাতে এলা ল্যাংলি। রয়টার্স
    পুরস্কার হাতে এলা ল্যাংলি। রয়টার্স

    চমক ছিল অ্যালবাম বিভাগেও। সমালোচকদের প্রশংসা পাওয়া নিজের নামের অ্যালবামের জন্য বর্ষসেরা অ্যালবামের পুরস্কার জিতেছেন পার্কার ম্যাককালাম। পুরস্কার নিতে গিয়ে রসিকতা করে তিনি বলেন, ‘ভাবছিলাম, আপনারা বুঝি আমাকে আর মঞ্চেই ডাকবেন না।’

    পুরস্কার বিতরণীর পাশাপাশি জমজমাট ছিল সংগীত পরিবেশনাও। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পারফর্ম করেন গত বছরের ‘এন্টারটেইনার অব দ্য ইয়ার’ লেইনলি উইলসন।
    এদিকে এলা ল্যাংলির জনপ্রিয়তা যে এখন তুঙ্গে, সেটাও স্পষ্ট হয়েছে এই আসরে। দ্বিতীয় অ্যালবাম দিয়েই কান্ট্রি মিউজিকের অন্যতম বড় মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি। ইতিমধ্যে তাঁর প্রথম অ্যারেনা ট্যুরের ঘোষণাও এসেছে। সংগীতবোদ্ধাদের অনেকেই মনে করছেন, আগামী বছর ‘এন্টারটেইনার অব দ্য ইয়ার’ বিভাগেও সবচেয়ে বড় দাবিদার হতে পারেন এলা ল্যাংলি।

    ভ্যারাইটি অবলম্বনে

    এলা ল্যাংলি। রয়টার্স
    এলা ল্যাংলি। রয়টার্স
  • ৭০টি দেশে সাড়া ফেলেছে! কী আছে এই তুর্কি সিরিয়ালে

    তুর্কি ধারাবাহিক ‘ভেনডেটা’ এখন বিশ্বের ৭০টির বেশি দেশে সম্প্রচার করা হচ্ছে; এর জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। মূলত একটি পারিবারিক রক্তক্ষয়ী শত্রুতার প্রেক্ষাপটে দুই তরুণ, দিলান ও বারানের প্রেম এবং সংগ্রামের গল্প বলছে এই ধারাবাহিক। এই সিরিজটি নির্মাণ করেছে রেইনস পিকচার্স ও ইউনিক ফিল্ম। ধারাবাহিকটি তুরস্কে সম্প্রচারিত হচ্ছে কানাল ৭-এ।

    রক্তক্ষয়ী শত্রুতা থেকে প্রেম

    ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন দিলান ও বারান, যাঁদের চরিত্রে অভিনয় করছেন ইয়াগমুর ইউকসেল ও বারিশ বাকতাস। দুই পরিবার দীর্ঘদিন ধরে একে অপরের সঙ্গে শত্রুতা করে আসছে। শান্তি স্থাপনের জন্য তাঁদের বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়।

    শুরুর দিকে সম্পর্ক ছিল ‘অস্বীকৃত’, একে অপরকে পছন্দ করতেও তারা দ্বিধা করত। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা বোঝে যে তাদের মধ্যে জেগে ওঠা টুকরা টুকরা আকর্ষণ একদিকে প্রেমের সূচনা করতে পারে, অন্যদিকে পুরো জীবন ধ্বংসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। দর্শকেরা প্রতিটি দৃশ্যে দেখেছে, কীভাবে ছোট ছোট নীরব অনুভূতি, চুপচাপ একে অপরের দিকে টান এবং মানসিক টানাপোড়েন ধীরে ধীরে গভীর সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যায়।

    আন্তর্জাতিক সাফল্য: ৭০টির বেশি দেশে দর্শকপ্রিয়তা
    ‘ভেনডেটা’ শুধু তুরস্কেই নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও সফলতা অর্জন করেছে। জর্জিয়া, রোমানিয়া, পোল্যান্ড, বুলগেরিয়া, ইউক্রেন, কাজাখস্তান এবং সাব-সাহারান আফ্রিকায় এটি প্রচুর দর্শক টানছে। বিশেষত জর্জিয়ায় এটি প্রাইম টাইমে শীর্ষস্থানীয় ধারাবাহিক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি

    বিপণন সংস্থা গ্লোবাল এজেন্সির প্রধান ইজেট পিন্টো বলেন, ‘আমরা সিরিজটি আন্তর্জাতিকভাবে বিপণন শুরুর পর থেকেই এটি আলোচিত হয়েছে। যেকোনো দেশে সম্প্রচার শুরু হলেই এটি শীর্ষস্থান দখল করে নেয়। দর্শকের সঙ্গে সংযোগ এত গভীর যে তারা চরিত্র এবং গল্পের সঙ্গে আবদ্ধ হয়ে যায়।’

    প্রধান চরিত্র ও তারকা শক্তি
    মূল অভিনেতারা প্রথমে নতুন মুখ হলেও, তাঁদের অভিনয়, আবেগপ্রবণতা এবং চরিত্রের গভীরতার কারণে তাঁরা আন্তর্জাতিকভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। ইজেট পিন্টো আরও জানান, তাঁদের অনুগামী সংখ্যা এক মিলিয়নেরও বেশি, যা ধারাবাহিকের দর্শকপ্রিয়তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
    দিলান চরিত্রটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁকে একজন শক্তিশালী নারী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যিনি শুধু প্রেমে নয়, বরং পরিবার, ন্যায় এবং নিজের পরিচয় রক্ষায়ও দৃঢ়।

    নারী সৃজনশীল দলের অবদান
    ‘ভেনডেটা’র সৃজনশীল দলের একটি বড় অংশ, বিশেষ করে চিত্রনাট্যকারেরা নারী। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি গল্প বলার ধরনে নতুনত্ব এনেছে। একদিকে যেখানে প্রেম, প্রতিশোধ এবং নৈতিক দ্বন্দ্বের কাহিনি দর্শকদের মোহিত করছে, অন্যদিকে নারী চরিত্রের স্বতন্ত্রতা গল্পে ভারসাম্য বজায় রাখছে।

    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি
    ‘ভেনডেটা’র দৃশ্য। আইএমডিবি

    বন্ধুত্ব ও আন্তর্জাতিক ভক্তশ্রেণি
    ধারাবাহিকের গল্প কেবল প্রেমের নয়, বন্ধুত্ব, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামাজিক বন্ধনের ওপরও দৃষ্টি রাখে। দর্শকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিকের প্রতিটি মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছেন, মিম তৈরি করছেন। বিশ্বজুড়ে এটি নিয়ে অন্তর্জালে আলোচনা চলছে। ফলে ‘ভেনডেটা’ শুধু সিরিজ হিসেবে নয়, একটি আন্তর্জাতিক ভক্তশ্রেণিও তৈরি করেছে।

    দর্শকের সঙ্গে সংযোগ
    ‘ভেনডেটা’র জনপ্রিয়তার আরেকটি কারণ এটির বাস্তবধর্মী উপস্থাপনা। গল্পের টানাপোড়েন, চরিত্রের বিকাশ এবং সামাজিক দৃষ্টিকোণ দর্শকের কাছে গভীরভাবে প্রভাব ফেলছে। এতে করে প্রতিটি দৃশ্যই শুধু বিনোদন নয়, বরং দর্শকের ভাবনার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করছে।

    ভ্যারাইটি অবলম্বনে

  • ৮ মাসে বিদেশি ঋণ শোধ প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার

    বিদেশি ঋণ ছাড় ও পরিশোধ এখন প্রায় সমান। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) যত বিদেশি ঋণ এসেছে, এর প্রায় সমান পরিমাণ ঋণের সুদ ও আসল শোধ করতে হয়েছে।

    আজ সোমবার অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) জুলাই-ফেব্রুয়ারি মাসের বিদেশি ঋণ পরিস্থিতির হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে দেখা গেছে, এই সময়ে বিদেশি ঋণ ও অনুদান এসেছে ৩০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বিপরীতে একই সময়ে বাংলাদেশকে বিভিন্ন ঋণ দাতা সংস্থা ও দেশকে প্রায় ২৯০ কোটি ডলার পরিশোধ করতে হয়েছে।

    গত কয়েক বছর ধরে বিদেশি ঋণ পরিশোধে চাপ বেড়েছে। গত অর্থবছরে চার বিলিয়ন ডলারের বেশি ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে।

    গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, বর্তমান সরকার আগের মতো দেশি–বিদেশি ঋণের বোঝা বাড়াবে না।

    ইআরডির প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বিদেশি ঋণের আসল সাড়ে ১৯৫ কোটি ডলার ও সুদ ৯৫ কোটি ডলার শোধ করেছে সরকার। অন্যদিকে ২৭৯ কোটি ডলার ঋণ হিসেবে এবং ২৬ কোটি ডলার অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে।

    ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ২৪৩ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে ২৩৫ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছিল।

    কারা কত দিল

    গত আট মাসে সবচেয়ে বেশি ঋণ ছাড় করেছে রাশিয়া। দেশটি দিয়েছে ৭৫ কোটি ৫১ লাখ ডলার। এরপর আছে বিশ্বব্যাংক। এই সংস্থা দিয়েছে ৬৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার। আর এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) দিয়েছে ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ডলার। চীন ও ভারত ছাড় করেছে যথাক্রমে ২৫ কোটি ডলার ও ২৫ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। জাপান দিয়েছে প্রায় ১৯ কোটি ডলার।

  • ৯ গোলের থ্রিলারে বায়ার্নকে হারালো পিএসজি

    ৯ গোলের রেকর্ডগড়া রোমাঞ্চকর এক থ্রিলারে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে পিএসজি। জোড়া গোল করেছেন উসমান দেম্বেলে ও কাভারাতসখেলিয়া।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সবশেষ ৫ দেখায় বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে জয়ের দেখাই পায়নি পিএসজি। ঘরের মাঠে তাই এবার চ্যালেঞ্জটা ছিল আরও কঠিন। প্যারিসে সেই লড়াইয়ে রক্ষণভাগের দেয়াল চূর্ণ করে গোলবন্যায় ভেসেছে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে যা আগে কখনোই দেখা যায়নি।

    ম্যাচের ১৭ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে বায়ার্নকে লিড এনে দেন হ্যারি কেইন। ৭ মিনিটের ব্যবধানে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। দিজিরে দুয়ের পাস থেকে প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ান কাভারাৎসখেলিয়া। ৩১ মিনিটে কর্নার কিক থেকে চমৎকার হেডে দলকে এগিয়ে নেন জোয়াও নেভেস। অবশ্য প্রথমার্ধেই সেই গোল শোধ দেয় বায়ার্ন। ৪১ মিনিটে ওলিসের গোলে সমতায় ফেরে বাভারিয়ানরা। তবে যোগকরা সময়ের ৫ মিনিটে আলফানসো ডেভিসের হ্যান্ড বলে পেনাল্টি পায় পিএসজি। ওসমান দেম্বেলের স্পট কিকে ৩-২ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফরাসি জায়ান্টরা। 

    রোমাঞ্চ ছড়ানো প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে দুই মিনিটের ব্যবধানে প্রতিপক্ষের জালে আরও দুবার বল জড়ায় পিএসজি। ৫৬ মিনিটে আশরাফ হাকিমির অ্যাসিস্ট থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কাভারাৎসখেলিয়া। ৫৮ মিনিটে দুয়ের পাস থেকে জোড়া গোল পূর্ণ করেন দেম্বেলে। তাতে ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি। 

    তবে ম্যাচে ফিরতে সময় লাগেনি বাভারিয়ানদের। ৬৫ মিনিটে জসুয়া কিমিখের ফ্রিকিকে দায়োত উপামেকানোর হেডে স্কোরলাইন হয় ৫-৩। তিন মিনিটের ব্যবধানে লুইস ডিয়াজের জোরালো শটে ব্যবধান আরও কমায় বায়ার্ন।

    এরপর বাকিটা সময় আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চললেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। তাতে হাড্ডাহাড্ডি এক লড়াইয়ে প্যারিসে ৫-৪ গোলের জয়ে প্রথম লেগে বায়ার্নকে হারালো পিএসজি।

    ফিরতি লেগে আগামী ৬ মে মিউনিখে ফরাসি জায়ান্টদের আতিথ্য দেবে বায়ার্ন মিউনিখ।

     

  • ৯৯ রানে অপরাজিত আশিক, নড়বড়ে ৯০–এ কাটা সাইফ, বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হার

    জয়ে শুরু মোহামেডানের

    বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে জিততে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে এবারের আসরের ফেবারিট মোহামেডানকে। শেষ ৪৮ বলে তাদের ৬১ রান দরকার ছিল। তাওহিদ হৃদয় ও ইয়াসির আলী জিতিয়েছেন দলকে। ৩৫ বলে ৩৪ রান করে অধিনায়ক হৃদয় আউট হলেও ২৩ বলে ৩৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ইয়াসির।

    ৩৭ ওভারের ম্যাচে ১৯৫ রান তাড়া করার ভিতটা মোহামেডানকে গড়ে দেন ওপেনার এনামুল হক, ৮৮ বলে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৮০ রান। এর আগে সাদিকুর রহমানের ৬৩ বলে ৫৬ রানে ভর করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৯৪ রানের সংগ্রহ পেয়েছিল সিটি ক্লাব। মোহামেডানের অফ স্পিনার নাঈম আহমেদ নেন ৪ উইকেট।

    প্রাইম ব্যাংকের জয়

    ৪ উইকেট নিয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের আলিস আল ইসলাম
    ৪ উইকেট নিয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের আলিস আল ইসলাম, বিসিবি

    বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে দুই ব্যাংকের লড়াইয়ে জিতেছে এবারের আসরে শক্তিশালী দল গড়া প্রাইম ব্যাংক। বিকেএসপিতে ৩০ ওভারের ম্যাচেও ৫ বল আগেই ১৫৩ রানে অলআউট হয়ে যায় অগ্রণী ব্যাংক, সর্বোচ্চ ৩২ রান আসে অধিনায়ক ইমরুল কায়েসের ব্যাট থেকে। প্রাইম ব্যাংকের আলিস আল ইসলাম পান ৪ উইকেট।

    এই রান তাড়া করতে নেমেও অবশ্য ৬ উইকেট হারিয়েছে প্রাইম ব্যাংক। তাদের ৭ বল হাতে রেখেই জয় এনে দিয়েছেন শামীম হোসেন (৩০ বলে অপরাজিত ২৪)। ৩২ বলে ৪৪ রান আসে ওপেনার তানজিদ হাসানের ব্যাট থেকেও।

    ৯৯-এ অপরাজিত আশিকুর

    পূর্বাচলের ক্রিকেটার্স একাডেমিতে ওপেনিংয়ে নেমে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ইনিংসটা প্রায় একাই টানছিলেন আশিকুর রহমান। ৩৪ ওভারে নেমে আসা ম্যাচের শেষ ওভারটা যখন শুরু হয়, তখন ৯৭ রানে অপরাজিত আশিকুর। প্রথম বলে তিনি স্ট্রাইক দেন মেহেদী হাসানকে।

    টানা তিন বল বাউন্ডারি মারার পর শেষ বলে আবার আশিকুরকে স্ট্রাইক দেন মেহেদী। অন্তত ২ রান নিলে সেঞ্চুরিটা পূর্ণ হতো আশিকুরের, কিন্তু তিনি নিতে পারেন ১ রান। ৮৪ বলে ১১ চার ও ৩ ছক্কায় ৯৯ রানেই অপরাজিত থাকতে হয় তাঁকে।

    ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন আশিকুর রহমান শিবলি
    ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন আশিকুর রহমান শিবলিবিসিবি

    ১৬ বলে ৪৯ রানের ঝড় তোলেন মেহেদীও, ৫১ বলে ৬০ রান আসে ইরফান শুক্কুরের ব্যাটে—সব মিলিয়ে ৩ উইকেটে ২৮৩ রান করে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। রান তাড়ায় ভালোই পাল্লা দেয় রূপগঞ্জ টাইগার্সও। ৪৬ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে লড়াইয়ের ভিত তাদের দেন এবারই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলা কালাম সিদ্দিকী। শেষদিকে ২৭ বলে ৫২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে চেষ্টা করেন মুক্তারও। কিন্তু ৭ উইকেটে ২৬১ রানের বেশি তুলতে পারেনি রূপগঞ্জ টাইগার্স, ম্যাচ হারে ২২ রানে।

    লেপার্ডের শিকার চ্যাম্পিয়ন আবাহনী

    ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী প্রথম ম্যাচেই ৫ উইকেটে হেরে গেছে নবাগত ঢাকা লেপার্ডের কাছে। বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে আগে ব্যাট করতে নেমে আবাহনীর টপ অর্ডারের কেউ তেমন ভালো করতে পারেননি, শেষদিকে ২৯ বলে ৫৫ রান করে তবু লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন সাব্বির রহমান।

    কিন্তু ওই রান যথেষ্ট হয়নি আবাহনীর জয়ের জন্য। জাকির হাসানের ৬৬ বলে ৭৪ আর অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনের ৪০ বলে ৩৭ রানের ইনিংসে ভর করে ৫ বল আগেই জয় পায় লেপার্ড।

    সাইফের ব্যাটে বসুন্ধরার জয়

    পুরো ৫০ ওভার খেলা হয়েছে পূবেরগাঁও ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (পিকেএসপি)। এই মাঠে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবকে ২৬ রানে হারিয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স (আগের ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)। আগে ব্যাট করা বসুন্ধরাকে ভালো শুরু এনে দেন সাইফ হাসান। দ্বিতীয় উইকেটে ফজলে মাহমুদের সঙ্গে ১৩৩ রানের জুটি গড়েন তিনি।

    ৯৬ রানে রানআউট হয়েছেন সাইফ হাসান
    ৯৬ রানে রানআউট হয়েছেন সাইফ হাসান, বিসিবি
     

    সাইফকে অবশ্য সেঞ্চুরি থেকে ৪ রান আগেই বিদায় নিতে হয়েছে রানআউটে কাটা পড়ে। তাতে তাঁর দায়ই বেশি। ২ রান নিতে গিয়ে দ্বিতীয় রানটা তিনি নিতে যান হেলেদুলে, তিনি ভেবেছিলেন থ্রোটা যাবে নন–স্ট্রাইক প্রান্তে। কিন্তু গুলশানের বিশাল চৌধুরীর থ্রোতে দ্রুতই স্টাম্প ভেঙে দেন উইকেটরক্ষক ফারজান আহমেদ আলিফ। ৩টি করে চার ও ছক্কার ইনিংসে ১২৬ বলে ৯৬ রান করেন সাইফ।

    তাঁর আউটের দুই বল আগেই একটি বিতর্কিত ঘটনা ঘটে এই ম্যাচে। গুলশানের তানভীরে ওভারে তুলে মারতে গেলে নুরুলের ক্যাচ নেন রাফিউজ্জামান রাফি। নুরুলের দাবি ছিল, ক্যাচটি ধরার সময় তাঁর পা বাউন্ডারি লাইনের বাইরে ছিল, রিপ্লেতে দেখেও তেমনই মনে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য ৪১ বলে ৪৩ রান করে আউট হতে হয় তাঁকেও।

    ২৮১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুলশানের টপ অর্ডার ব্যর্থ পুরোপুরি। ৬৯ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৩ রান করে যা একটু প্রতিরোধ গড়েন জোবায়ের হোসেন। ৩ উইকেট করে পান বসুন্ধরার রুয়েল মিয়া ও নাহিদুল ইসলাম।

    ব্রাদার্স অলআউট ৮২ রানে

    দিনের সবচেয়ে কম রানের ম্যাচ হয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স আর ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যাচে। ইউল্যাব মাঠে ৩৬ ওভারের ম্যাচে ২৯.৪ ওভার খেলে ৮২ রানে অলআউট হয়ে যায় ব্রাদার্স। তাদের তিনজন ব্যাটসম্যানই হন রান আউট, গাজী গ্রুপের স্পিনার মোহাম্মদ রুবেল ও লিয়ন ইসলাম নেন ৩ উইকেট করে। পরে নাঈম আহমেদের ৪৯ বলে ৪৮ রানে ভর করে ৯ উইকেটে ১৪.৩ ওভারে সহজ জয় পায় গাজী গ্রুপ।

  • ‎সিঙ্গাপুর-ভিয়েতনাম ম্যাচের দলে হামজা–শমিত, ফিরলেন বিশ্বনাথ

    সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য আজ ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। স্কোয়াডে নেই কোনো নতুন মুখ। দলে ফিরেছেন বিশ্বনাথ ঘোষ, ফাহমিদুল ইসলাম, আরমান ফয়সাল ও মিরাজুল ইসলাম।

    ‎সর্বশেষ ২০২৪ সালে ৫ সেপ্টেম্বর ভুটানের বিপক্ষে দেশের জার্সিতে খেলেছিলেন বিশ্বনাথ। চোটের সঙ্গে লড়াই শেষে প্রায় দেড় বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন বসুন্ধরা কিংসে খেলা এই ডিফেন্ডার।

    ‎ফাহমিদুল, আরমান ও মিরাজুল সর্বশেষ গত নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে স্কোয়াডে ছিলেন না। মিরাজুলের অভিষেক হয় ২০২৪ সালে ভুটানের বিপক্ষে। সেটাই দেশের হয়ে তাঁর সর্বশেষ ম্যাচ। আরমান সর্বশেষ খেলেছেন গত বছর এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হংকংয়ের বিপক্ষে। একই ম্যাচে ছিলেন ফাহমিদুলও। কার্ডের নিষেধাজ্ঞায় ভারতের সঙ্গে ঘরের মাঠে খেলা হয়নি তাঁর।

    ‎‎বাংলাদেশ স্কোয়াড: গোলকিপার: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান। ‎‎ডিফেন্ডার: তারিক কাজী, রহমত মিয়া, শাকিল আহাদ, আবদুল্লাহ ওমর, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন ‎মিডফিল্ডার: কাজেম শাহ, শেখ মোরছালিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, শমিত সোম, হামজা চৌধুরী ‎ফরোয়ার্ড: আরমান ফয়সাল, সুমন রেজা, শাহরিয়ার ইমন, ফয়সাল আহমেদ, ফাহামিদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম।

    ৩১ মার্চ এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। তার আগে ২৬ মার্চ ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলবে হাভিয়ের কাবরেরার দল। আজ রাতেই জামালদের ভিয়েতনামের বিমান ধরার কথা।

    ‎‎‎এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ আগেই শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। বাছাইপর্বে এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে একটি জয় বাংলাদেশের, সেটি গত নভেম্বর ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে। অন্য চার ম্যাচে দুই জয়, দুই ড্র। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট ৫।

  • ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ গান নিয়ে বিতর্ক, নোরা ফাতেহিকে সময় বেঁধে দিল কমিশন

    দক্ষিণ ভারতীয় বড় বাজেটের অ্যাকশন ছবি ‘কেডি: দ্য ডেভিল’–এর নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। গানটিতে পারফর্ম করেছেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি। তবে মুক্তির পরই অনেক দর্শক গানটির ভাষা ও উপস্থাপনাকে ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ বলে সমালোচনা করছেন। গানের সঙ্গে নাচকেও ‘অশালীন’ বলে নিষিদ্ধের দাবি তুলেছিলেন অনেকে। এরপর গানটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। গানটির অশালীন কথা এবং কুরুচিকর দৃশ্যায়নের অভিযোগে এবার নড়েচড়ে বসেছে ভারতের জাতীয় নারী কমিশন। গত সোমবার এক শুনানিতে কমিশনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সৃজনশীলতার দোহাই দিয়ে নারীর সম্মান ক্ষুণ্ণ করা মোটেই বরদাশত করা হবে না।

    গানটি নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর ভারতের জাতীয় নারী কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা করে। সোমবারের শুনানিতে ছবির পরিচালক প্রেম, গীতিকার রাকিব আলম এবং প্রযোজনা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকলেও অনুপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। নোরার পক্ষ থেকে তাঁর আইনজীবী উপস্থিত হলেও কমিশন তা গ্রহণযোগ্য মনে করেনি। অভিনেত্রীকে সশরীর হাজির হওয়ার জন্য ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কমিশন। অন্যদিকে অভিনেতা সঞ্জয় দত্তকেও ৮ এপ্রিল কমিশনের সামনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ‘সারকে চুনার’ গানের দৃশ্যে সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফতেহি। এক্স থেকে
    ‘সারকে চুনার’ গানের দৃশ্যে সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফতেহি। এক্স থেকে

    শুনানি চলাকালীন জাতীয় নারী কমিশনের চেয়ারপারসন অত্যন্ত অসন্তোষের সঙ্গে বলেন, ‘সৃজনশীলতার নামে নারীর মর্যাদার সঙ্গে আপস একেবারেই করা যায় না।’ যদিও ছবির নির্মাতারা দাবি করেছিলেন যে তাঁরা গানের কথার গভীর অর্থ বুঝতে পারেননি, কিন্তু কমিশন সেই যুক্তি খারিজ করে দিয়েছে।

    শেষমেশ নির্মাতারা তাঁদের ভুলের জন্য লিখিত ক্ষমা চেয়েছেন এবং স্বীকার করেছেন যে গানটি সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। আগামী তিন মাস তাঁরা নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কাজ করবেন এবং সেই রিপোর্ট কমিশনে জমা দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

  • ‘অস্বস্তিতে ছিলাম’, চুম্বন দৃশ্য নিয়ে কাজল

    বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে নিজের একটি অলিখিত নিয়ম মেনে চলেছেন—পর্দায় চুম্বন দৃশ্যে অভিনয় করবেন না। কিন্তু সময়ের সঙ্গে গল্পের চাহিদা বদলায়, চরিত্রের গভীরতাও বাড়ে। সেই জায়গা থেকেই শেষ পর্যন্ত নিজের দীর্ঘদিনের ‘নো কিসিং পলিসি’ ভেঙেছেন তিনি, ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ট্রায়াল: পেয়ার, কানুন, ধোঁকা’–এর জন্য।

    সম্প্রতি এক পডকাস্টে কাজল নিজেই এই সিদ্ধান্তের পেছনের গল্প খুলে বলেছেন। তাঁর ভাষায়, বিষয়টি মোটেই সহজ ছিল না। বরং শুটিংয়ের আগপর্যন্ত ভেতরে–ভেতরে অস্বস্তি কাজ করছিল। তিনি বলেন, ‘আমি খুব অস্বস্তি বোধ করছিলাম। যতক্ষণ না সেটে দাঁড়াচ্ছি, ততক্ষণ বুঝতেই পারছিলাম না, আমি সত্যিই এই দৃশ্যটা করব কি না।’

    কাজল জানান, স্ক্রিপ্টে দৃশ্যটির গুরুত্ব তিনি বুঝেছিলেন শুরু থেকেই। কিন্তু ক্যামেরা অন হওয়ার পর নিজেকে সেই জায়গায় নেওয়া—সেটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এমনও মুহূর্ত এসেছিল, যখন মনে হয়েছিল, মাঝপথেই হয়তো থেমে যাবেন। তবু শেষ পর্যন্ত পেশাদার অভিনেত্রী হিসেবে চরিত্রের প্রয়োজনকে প্রাধান্য দিয়েছেন তিনি।
    ওটিটি প্ল্যাটফর্মে তাঁর অভিষেক সিরিজ ‘দ্য ট্রায়াল: পেয়ার, কানুন, ধোঁকা’–তে কাজল অভিনয় করেছেন নয়নিকা সেনগুপ্ত চরিত্রে—একজন গৃহবধূ, যে স্বামীর কেলেঙ্কারির পর নতুন করে আইনজীবী হিসেবে নিজের জীবন শুরু করে। ব্যক্তিগত বিপর্যয়, সামাজিক চাপ এবং পেশাগত লড়াই—সব মিলিয়ে চরিত্রটি বহুমাত্রিক।

    ‘ট্রায়াল’–এর কাজল। আইএমডিবি
    ‘ট্রায়াল’–এর কাজল। আইএমডিবি

    সিরিজটি মূলত মার্কিন টিভি শো ‘দ্য গুড ওয়াইফ’–এর ভারতীয় রূপান্তর। এর ফলে গল্পের কাঠামো এবং আবেগের গভীরতায় আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখার চাপও ছিল নির্মাতাদের ওপর। কাজলের মতে, তাঁর চরিত্রের মানসিক যাত্রা ও আবেগের টানাপোড়েন বোঝাতে ওই চুম্বন দৃশ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

    সহ-অভিনেতা যীশু সেনগুপ্তর সঙ্গে সেই দৃশ্যে অভিনয় করেন কাজল। সিরিজে যীশু অভিনয় করেছেন রাজীব সেনগুপ্ত চরিত্রে, যে নয়নিকার স্বামী। এই দৃশ্য মুক্তির পর থেকেই দর্শক ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করে—বিশেষ করে কাজলের দীর্ঘদিনের অবস্থান বিবেচনায়।

    ‘ট্রায়াল’–এর কাজল। আইএমডিবি
    ‘ট্রায়াল’–এর কাজল। আইএমডিবি
     

    পডকাস্টে কাজল আরও বলেন, ‘এটা কোনো ব্যক্তিগত নীতি ভাঙার বিষয় ছিল না। বরং চরিত্রের জন্য যা প্রয়োজন, সেটাই করেছি। যদি এই দৃশ্য বাদ দিতাম, তাহলে চরিত্রের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিকই হারিয়ে যেত।’

    কাজল স্পষ্ট করে দেন, সিদ্ধান্তটি আবেগ বা হঠকারিতা থেকে নয়, বরং সম্পূর্ণ পেশাদার বিবেচনায় নেওয়া। তাঁর মতে, একজন অভিনেতার কাজই হলো চরিত্রকে পূর্ণতা দেওয়া—সে জন্য কখনো কখনো নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের সীমাও অতিক্রম করতে হয়।

    তবে ভবিষ্যতে এমন দৃশ্যে অভিনয় করবেন কি না—সে বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি কাজল। বরং ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রতিটি সিদ্ধান্তই নির্ভর করবে গল্প, চরিত্র ও পরিস্থিতির ওপর।

    তিন দশকের ক্যারিয়ারে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘কুচকুচ হোতা হ্যায়’, কিংবা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’–এর মতো সুপারহিট প্রেমের ছবিতে অভিনয় করেও কাজল তাঁর এই নীতি অটুট রেখেছিলেন। তাই ‘দ্য ট্রায়াল’–এ সেই নিয়ম ভাঙার সিদ্ধান্ত স্বাভাবিকভাবেই ভক্তদের কাছে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

    সব মিলিয়ে কাজলের এই অভিজ্ঞতা আবারও সামনে এনেছে—অভিনয়জগতে ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও পেশাদার দায়বদ্ধতার মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য কীভাবে কাজ করে। আর সেই ভারসাম্য রক্ষা করেই একজন অভিনেতা নিজের সীমা ভেঙে নতুন জায়গায় পৌঁছান।

  • ‘আমার প্রাণপ্রিয় মেয়েটা আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে চলে গেছে’—কায়সার হামিদের আবেগঘন বার্তা

    রাত ১টা ৩০ মিনিট। গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদের একটি স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে আসে শোবিজ অঙ্গনে। বাবা–মেয়ের একটি হাসিখুশি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমার প্রাণপ্রিয় আদরের মেয়ে কারিনা কায়সার একটু আগে চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে ওপারে চলে গেছে।’

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় কায়সার হামিদ। প্রায়ই পরিবারের নানা মুহূর্ত, বিশেষ করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ছবি ও স্মৃতিময় পোস্ট শেয়ার করতেন তিনি। বাবা–মেয়ের হাসিমাখা ছবিগুলো পরিচিত ছিল অনেকের কাছেই। কখনো জন্মদিন, কখনো পারিবারিক আড্ডা, আবার কখনো সাধারণ কোনো মুহূর্ত—মেয়েকে নিয়ে তাঁর আবেগমাখা পোস্ট নজর কাড়ত অনুসারীদের। শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে সেই হাসিখুশি পরিবারেই নেমে এল শোকের ছায়া।

    স্ট্যাটাসে কায়সার হামিদ আরও লেখেন, ‘আমার মেয়ের কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে কিংবা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দেবেন। যারা এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন, সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দোয়া করবেন সবাই, আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুক।’

    কারিনা কায়সার
    কারিনা কায়সার
     

    লিভার–সংক্রান্ত জটিলতায় মারা গেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়ার পর আজ শুক্রবার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৩০ বছর। তিনি মা–বাবা ও দুই ভাই রেখে গেছেন। বরেণ্য দাবাড়ু রানী হামিদ তাঁর দাদি।

    কয়েক দিন ধরে সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাঁকে। পরে গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নেওয়া হয়। সেখানে ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছিল।

    আজ শুক্রবার প্রথম আলোকে কায়সার হামিদ জানান, ফুসফুসে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়ার সময় হঠাৎ কারিনার রক্তচাপ অনেক নিচে নেমে যায়। এরপর চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও তাঁকে বাঁচাতে পারেননি।

    এর আগে পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হন কারিনা। পরে তাঁর শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়ে। একই সঙ্গে হেপাটাইটিস এ এবং ই-জনিত জটিলতায় তাঁর লিভার ফেইলিউর দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। চেন্নাইয়ে নেওয়ার পর তাঁর ফুসফুসের চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। এরপর লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতিও চলছিল।

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচিতি পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন কারিনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর প্রাণবন্ত উপস্থাপনা ও জীবনঘনিষ্ঠ কনটেন্ট তরুণ দর্শকদের কাছে তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। পরে ওটিটি ও নাটকের জগতেও ধীরে ধীরে নিজের জায়গা তৈরি করেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি চিত্রনাট্যকার হিসেবেও কাজ করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ইন্টার্নশিপ ও ৩৬-২৪-৩৬।

    কারিনা কায়সার
    কারিনা কায়সার, চরকির সৌজন্যে
     

    কারিনার মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী, নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও ভক্তরা তাঁর স্মৃতিচারণা করে শোক প্রকাশ করছেন। অনেকেই তাঁর হাসিখুশি স্বভাব, প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও সংগ্রামী মানসিকতার কথা তুলে ধরছেন। কেউ কেউ লিখেছেন, কয়েক দিন আগেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন কারিনা। হঠাৎ এমন বিদায়ে তাঁরা এখনো বিশ্বাসই করতে পারছেন না।

  • ‘আমি জলছবিতে আঁকবো তোমার ইতঃস্তত’

    লেমন-গ্রিন শেডের শাড়িতে ফুলেল নকশা, কপালে ছোট্ট টিপে ভিন্ন সাজে দেখা দিলেন অভিনেত্রী সুনেরাহ্ বিনতে কামাল। ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়া ছবিতে থাকল আরও তথ্য।

    [caption id="attachment_272584" align="alignnone" width="712"] ছবি পোস্ট করে লগ্নজিতা চক্রবর্তীর গান থেকে ধার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমি জলছবিতে আঁকবো তোমার ইতঃস্তত’শিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption][caption id="attachment_272585" align="alignnone" width="720"] ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ছবিতে ১১ হাজারের বেশি রিঅ্যাক্ট পড়েছে। সাড়ে পাঁচ শতাধিক মন্তব্য জমা পড়েছেশিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption][caption id="attachment_272586" align="alignnone" width="722"] রাজু আহমেদ নামে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘“আমাদের গল্প” নাটক দেখার পর থেকে আমি তোমার উপর ক্রাশ খেয়েছি।’ সোহরাব পলাশ নামে আরেক ভক্ত লিখেছেন, ‘সুনেরাহ্ আমার একজন পছন্দের অভিনেত্রী।’শিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption][caption id="attachment_272582" align="alignnone" width="722"] গতকাল আরেক ছবি পোস্ট করেছেন সুনেরাহ্শিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption][caption id="attachment_272583" align="alignnone" width="722"] পোস্টে ৬ হাজারের বেশি রিঅ্যাক্ট পড়েছে, সাড়ে তিন শ মন্তব্য এসেছেশিল্পীর ফেসবুক থেকে[/caption]

  • ‘আমি নগ্ন ছিলাম না’, বিতর্কিত সেই ফটোশুট নিয়ে মুখ খুললেন পূজা

    নব্বইয়ের দশকে বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত ও সাহসী অভিনেত্রীদের একজন ছিলেন পূজা ভাট। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের স্পষ্টভাষিতা ও প্রচলিত ধারণার বাইরে চলার কারণে প্রায়ই খবরের শিরোনামে উঠে আসতেন তিনি। সেই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটি ছিল একটি ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের জন্য বডি পেইন্টে ফটোশুট করা। ছবিটি অনুপ্রাণিত ছিল হলিউড তারকা ডেমি মুরের বিখ্যাত ভ্যানিটি ফেয়ারের কভারের আদলে।

    ছবিটি প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছিল। অনেকেই এটিকে সাহসী উদ্যোগ হিসেবে দেখেছিলেন, আবার অনেকে সমালোচনাও করেছিলেন। তবে তিন দশকের বেশি সময় পর পূজা ভাট বলেন, সেই ফটোশুটের উদ্দেশ্য কখনোই বিতর্ক সৃষ্টি করা ছিল না।

    সম্প্রতি সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির সঙ্গে আলাপে পূজা ভাট ফিরে দেখেছেন সেই বহুল আলোচিত কভারের পেছনের গল্প, জনমতের প্রতিক্রিয়া এবং কেন তিনি মনে করেন, মানুষ ছবিটিকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করেছিলেন।

    ‘ডেমি মুরকে অসাধারণ লাগছিল’
    পূজা ভাটের ভাষ্য অনুযায়ী, ফটোশুটটি কোনো উত্তেজনা বা বিতর্ক তৈরির পরিকল্পনা থেকে করা হয়নি; বরং প্রথম দেখাতেই তিনি ধারণাটি পছন্দ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘একদল মানুষের কাছ থেকে আমি প্রচুর সমালোচনা পেয়েছিলাম, আবার আরেক দল মানুষের কাছ থেকে অনেক ভালোবাসাও পেয়েছিলাম। কিন্তু আমার কাছে এটি কখনোই বিতর্ক তৈরির জন্য করা হয়নি।’

    পূজা জানান, সাংবাদিক দিনেশ রাহেজা তাঁকে ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিনে প্রকাশিত ডেমি মুরের সেই বিখ্যাত প্রচ্ছদটি দেখিয়েছিলেন।

    ‘দিনেশ রাহেজা, যাঁর প্রতি আজও আমার অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে, তিনি আমাকে ডেমি মুরের কভার দেখান। দিনেশ ও জিতু আমার সঙ্গে দেখা করে বলেছিলেন, “পূজা, এই কভারটা দেখো।” আমি ছবিটি দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। ডেমি মুরকে দারুণ লাগছিল। তাঁরা বললেন, এ ধরনের একটি ছবি পুনর্নির্মাণ করতে চান এবং জানতে চাইলেন, আমি রাজি কি না। আমি সঙ্গে সঙ্গেই বলেছিলাম, অবশ্যই।’
    পরে যখন পূজা জানতে চান, বডি পেইন্টের কাজ কে করবেন, তখন তাঁকে বলা হয় ফ্যাশন ডিজাইনার আনা সিং এই দায়িত্বে থাকবেন।

    সিনেমার দৃশ্যে পূজা ভাট। আইএমডিবি
    সিনেমার দৃশ্যে পূজা ভাট। আইএমডিবি

    ব্যস্ত শিডিউলের মধ্যেই ফটোশুট
    পূজা জানান, ফটোশুটটি হয়েছিল অত্যন্ত ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুরো কাজ শেষ করা হয়েছিল।

    ‘আমি তখন “ফির তেরি কাহানি ইয়াদ আয়ি” ছবির “তেরে দর পার সনম” গানের শুটিং করছিলাম। রাত প্রায় সাড়ে নয়টার দিকে কাজ শেষ করে আমি আলোকচিত্রী জগদিশ মালির বাড়িতে যাই। সেখানে আমার শরীরে পেইন্ট করা হয় এবং ফটোশুট সম্পন্ন হয়। এরপর বিষয়টি আমি একেবারেই ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু ম্যাগাজিনটি প্রকাশের পর পরিস্থিতি বদলে যায়,’ বলেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, ‘ ‘ম্যাগাজিনটি বের হওয়ার পর বেশ হইচই পড়ে যায়। তবে এরপরই শহরে একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। বোমা হামলার মতো ভয়ংকর ট্র্যাজেডি ঘটে যায়। স্বাভাবিকভাবেই তখন মানুষের ভাবনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল না কোনো নারী নিজের শরীরে রং করে ছবি তুলেছেন কি না।’

    ‘আমি ছবিতে নগ্ন ছিলাম না’
    এই কভারকে ঘিরে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলোর একটি ছিল, পূজা ভাট নাকি সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় ছবি তুলেছিলেন। সেই ধারণা সরাসরি খণ্ডন করেছেন অভিনেত্রী।
    পূজা বলেন, ‘আমি ওই ছবিতে নগ্ন ছিলাম না। ডেমি মুরের ক্ষেত্রে “বার্থডে স্যুট” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছিল, যার অর্থ তিনি বডি পেইন্টের নিচে সম্পূর্ণ নগ্ন ছিলেন। কিন্তু আমি তা ছিলাম না।’

    পূজা আরও বলেন, ‘আমি অন্তর্বাস পরে ছিলাম। কারণ, আমরা খুব ভালোভাবেই জানতাম, সীমারেখা কোথায় এবং আমরা সেই সীমা অতিক্রম করিনি।’
    তাঁর মতে, ছবিটি সেই সময়ের জন্য অনেকের কাছে সাহসী মনে হতে পারে, কিন্তু এর উদ্দেশ্য কাউকে চমকে দেওয়া ছিল না।

    পূজা ভাট। আইএমডিবি
    পূজা ভাট। আইএমডিবি

    ‘আমি শুধু নিজের মতো ছিলাম’
    পূজা ভাট মনে করেন, মানুষের কাছে ছবিটি হয়তো দুঃসাহসিক বা অকল্পনীয় মনে হয়েছিল। তবে তাঁর কাছে এটি ছিল একটি নান্দনিক ধারণার বাস্তবায়ন।
    ‘হয়তো অনেকের কাছে এটি খুব সাহসী বা অকল্পনীয় মনে হয়েছিল। কিন্তু আমি এটি করেছি কারণ ধারণাটি আমার ভালো লেগেছিল। যাঁদের সঙ্গে কাজ করছিলাম, তাঁদের ওপর আমার আস্থা ছিল। তাই কাজটি করেছি। বিতর্ক সৃষ্টি করার কোনো ইচ্ছা ছিল না। আমি শুধু নিজের মতো ছিলাম।’

    কেন এখনো আলোচনায় সেই ছবি?
    তিন দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ছবিটি এখনো আলোচনায় আসে—এ বিষয়টি তাঁকে অবাক করে।

    পূজা বলেন, ‘সম্প্রতি আবারও ছবিটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে এটিকে “কাল্ট ইমেজ” বলছেন। কিন্তু এ ধরনের কিছু পরিকল্পনা করে তৈরি করা যায় না। আমি শুধু নিজের মতো ছিলাম। সমস্যা হলো, আমরা এখন এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি, যেখানে মিথ্যার আধিক্য এত বেশি যে সত্যটাই আজ বিতর্কিত হয়ে উঠেছে।’

    ‘তখন ভাইরাল হওয়ার চিন্তা ছিল না’
    এর আগেও সিদ্ধার্থ কান্নানের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এই ছবি নিয়ে কথা বলেছিলেন পূজা ভাট। তখনো তিনি বলেছিলেন, পুরো বিষয়টিকে তিনি শিল্পের চোখে দেখেছিলেন।

    ‘আমি ডেমি মুরের আসল ছবিটি দেখেছিলাম এবং সেটিকে খুব নান্দনিক মনে হয়েছিল। আমি কখনো ভাবিনি যে আমি কোনো বিতর্কিত কাজ করছি। সবকিছু নির্ভর করে উদ্দেশ্যের ওপর। আমার কাছে এটি ছিল নান্দনিক একটি কাজ,’ বলেন তিনি।
    পূজা আরও বলেন, ‘তখন তো ভাইরাল শব্দটাই ছিল না। আমরা স্বাভাবিকভাবে কাজ করতাম। কখনো সফল হতো, কখনো হতো না। কখনো বিতর্ক তৈরি হতো, তখন মাথা নিচু করে থাকতে হতো। আবার কখনো মানুষ সেটিকে ভীষণ পছন্দ করত।’

    পূজা ভাটের মতে, সেই আলোচিত প্রচ্ছদের পেছনে ছিল না কোনো প্রচারণার কৌশল বা বিতর্কের নকশা; বরং এটি ছিল শিল্প, আস্থা এবং নিজের প্রতি সৎ থাকার একটি প্রকাশ—যা আজও আলোচনায় থেকে গেছে।

    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

  • ‘আমি প্রিন্সের সঙ্গে একাধিকবার ডেট করেছি’

    অভিনয় ক্যারিয়ার কিংবা ব্যক্তিজীবন—তিনি বরাবরই আলোচনায় যেমন ছিলেন, তেমনি তাঁকে ঘিরে নিয়মিত সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সেই অভিনেত্রী জুলিয়া স্টিলসের আজ জন্মদিন। বিশেষ এই দিনে তাঁকে নিয়ে জেনে নিতে পারেন জানা-অজানা কথাগুলো।
    মাত্র ১১ বছর বয়সে থিয়েটারে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয়। তবে সিনেমায় অভিনয় নিয়ে তাঁর তেমন আগ্রহ ছিল না।
    মাত্র ১১ বছর বয়সে থিয়েটারে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয়। তবে সিনেমায় অভিনয় নিয়ে তাঁর তেমন আগ্রহ ছিল না।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    তাঁর চারপাশেই ছিলেন সিনেমার মানুষ। তাঁদের আগ্রহে জুলিয়া সিনেমার ছোট ছোট চরিত্র দিয়েই অভিনয়ে জায়গা করেন নেন। ‘টেন থিংস আই হেট অ্যাবাউট ইউ’ চলচ্চিত্র তাঁকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেয়। আর পেছনে তাকাতে হয়নি।
    তাঁর চারপাশেই ছিলেন সিনেমার মানুষ। তাঁদের আগ্রহে জুলিয়া সিনেমার ছোট ছোট চরিত্র দিয়েই অভিনয়ে জায়গা করেন নেন। ‘টেন থিংস আই হেট অ্যাবাউট ইউ’ চলচ্চিত্র তাঁকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেয়। আর পেছনে তাকাতে হয়নি।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    দীর্ঘ প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে ব্যতিক্রম সব চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে মজা করে বলেছিলেন, ‘আমি প্রিন্সের সঙ্গে একাধিকবার ডেট করেছি।’ মূলত ‘হ্যামলেট’ ও ‘দ্য প্রিন্স অ্যান্ড মি’ সিনেমায় ডেনমার্কের প্রিন্সের সঙ্গে প্রেম করেন।
    দীর্ঘ প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ারে ব্যতিক্রম সব চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে মজা করে বলেছিলেন, ‘আমি প্রিন্সের সঙ্গে একাধিকবার ডেট করেছি।’ মূলত ‘হ্যামলেট’ ও ‘দ্য প্রিন্স অ্যান্ড মি’ সিনেমায় ডেনমার্কের প্রিন্সের সঙ্গে প্রেম করেন।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    বিভিন্ন সময় তিনি পছন্দের চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু ২০০৫ সালে তাঁকে ছাড়তে হয় ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর’। সিনেমাটি তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় আরও ঘুরিয়ে দিতে পারত। সিনেমাটি ছাড়ায় আফসোস এখনো রয়ে গেছে।
    বিভিন্ন সময় তিনি পছন্দের চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন। কিন্তু ২০০৫ সালে তাঁকে ছাড়তে হয় ‘ফ্যান্টাস্টিক ফোর’। সিনেমাটি তাঁর ক্যারিয়ারের মোড় আরও ঘুরিয়ে দিতে পারত। সিনেমাটি ছাড়ায় আফসোস এখনো রয়ে গেছে।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    প্রেম, বিয়ে নিয়ে তিনি অনেক আলোচিত। ক্যারিয়ারে একাধিকবার সুন্দরী ও যৌন আবেদনময়ীর তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।
    প্রেম, বিয়ে নিয়ে তিনি অনেক আলোচিত। ক্যারিয়ারে একাধিকবার সুন্দরী ও যৌন আবেদনময়ীর তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।ছবি: ইনস্টাগ্রাম
    এমি, গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পাওয়া এই অভিনেত্রী ব্যক্তিজীবনে মনে করেন, ‘যত সময় দর্শকদের ক্রাশ থাকা যায়, তত সময়ই তারকাদের নিয়ে আলোচনা হয়। আমি সব সময় চেয়েছি, অভিনেত্রী হিসেবে দর্শক আমাকে মনে রাখুক।’
    এমি, গোল্ডেন গ্লোবে মনোনয়ন পাওয়া এই অভিনেত্রী ব্যক্তিজীবনে মনে করেন, ‘যত সময় দর্শকদের ক্রাশ থাকা যায়, তত সময়ই তারকাদের নিয়ে আলোচনা হয়। আমি সব সময় চেয়েছি, অভিনেত্রী হিসেবে দর্শক আমাকে মনে রাখুক।’ছবি: ইনস্টাগ্রাম
  • ‘এই অঞ্চলে অনেক দিন রিশাদের মতো বোলার দেখা যায়নি’

    বাংলাদেশের ক্রিকেটে এখন সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি রিশাদ হোসেন। তাঁর প্রশংসা শোনা যায় নিয়মিতই। আর রিশাদের প্রশংসা করা মানুষটি যদি লেগ স্পিনার হন, তাহলে তো কথাই নেই। নিউজিল্যান্ডের লেগ স্পিনার ইশ সোধিও ব্যতিক্রম নন।

    নিউজিল্যান্ডের হয়ে সোধি খেলছেন তিন সংস্করণেই। এক যুগের বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা সোধিও উচ্ছ্বসিত রিশাদকে নিয়ে। বাংলাদেশের এই লেগ স্পিনারের ৬ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতাও যার একটা কারণ। টি–টুয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে আজ চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে সোধির বলা কথাগুলো শুনুন তাঁর মুখেই, ‘অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে বিগ ব্যাশে এত চমৎকার বোলিং করাটাই প্রমাণ করে যে সে কতটা বহুমুখী প্রতিভার লেগ স্পিনার।’

    সোধি এরপর ব্যাখ্যা করেন, ‘সাধারণত এশিয়ান লেগ স্পিনারদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে তারা (উচ্চতার কারণে) নিচু থেকে (ফ্লাইট কম) বল ছাড়ে আর ফ্ল্যাট বোলিং করে। কিন্তু সে বেশ প্রথাগত ধারার বোলার; সে বলের ওপর জোর দিয়ে বাউন্স আদায় করে নিতে পারে। সত্যি বলতে, এই অঞ্চলের ক্রিকেটে অনেক দিন ধরে এ ধরনের বোলার দেখা যায়নি।’

    ২০২৩ সালে অভিষিক্ত রিশাদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম বছরেই আলো ছড়ান। বিগ ব্যাশে গিয়েও স্পিনারদের মধ্যে যৌথভাবে সর্বোচ্চ ১৫ উইকেট নেন। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শুধু ওয়ানডে ও টি–টুয়েন্টিই খেলছেন রিশাদ।

    স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদের সঙ্গে রিশাদ হোসেন
    স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদের সঙ্গে রিশাদ হোসেন
     

    প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেললেও এখনো টেস্টে রিশাদকে দেখা যায়নি। তাঁর সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে আগে থেকেই যোগাযোগ আছে সোধির, দুজনের কথা হয়েছে বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজেও। রিশাদকে টেস্টে দেখার আগ্রহটা আজ জানিয়ে রাখলেন সোধি, ‘আমার মনে হয়, ওর সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ পড়ে আছে এবং আশা করি, সে টেস্ট ক্রিকেটেও জায়গা করে নিতে পারবে। সত্যি বলতে, টেস্ট ক্রিকেটে আবারও লেগ স্পিন দেখাটা হবে দারুণ ব্যাপার, যা আজকাল বেশ বিরল, তা–ই না? তবে ওর মধ্যে নিশ্চিতভাবেই সেই দক্ষতা আছে।’

    এত সব প্রশংসার ভিড়েও রিশাদ আছেন উন্নতির খোঁজে। কয়েক দিন ধরে তাঁর সঙ্গে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদকে। সোধির পর সংবাদ সম্মেলনে এসে মুশতাক জানিয়েছেন সেটির কারণও।

    পাকিস্তানের সাবেক এ লেগ স্পিনার বলেন, ‘আমরা আলাদা বৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করছি, ক্রিজটাকে কীভাবে আরও ব্যবহার করা যায়, গুগলি নিয়েও। গুগলিতে আরও কিছুটা উন্নতি দরকার তাঁর। ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে কোন দিক থেকে বল করবে, স্টাম্পের কাছাকাছি কীভাবে আসা যায়, দূরে যাওয়া, এসব আরকি।’

    সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ
    সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ
     

    ওয়ানডে সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচে খেললেও শেষ ম্যাচে একাদশে ছিলেন না রিশাদ। মুশতাকের দাবি, রিশাদ দল থেকে বাদ পড়েননি, এটা তাঁর উন্নতির একটা প্রক্রিয়া। মুশতাকের ভাষায়, ‘আমরা স্পিনারদের দিক থেকে আরও শক্তিশালী হওয়ার চেষ্টা করেছি শুধু। যদি কিছু হয়…যেন অন্য স্পিনাররা এর আগেই গেম টাইমটা পায়।’

    আগামী সোমবার বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ টি–টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ২৯ এপ্রিল চট্টগ্রামেই দ্বিতীয় ম্যাচ এবং ২ মে ঢাকায় হবে তৃতীয় ম্যাচ। এর আগে ওয়ানডে সিরিজ ২–১ ব্যবধানে জিতেছে বাংলাদেশ।

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব