• Colors: Purple Color

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (২ জুন) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অনেক অভিনন্দন।

তিনি আরও বলেন, এই অর্জন বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও বিশ্বাসযোগ্যতার প্রতিফলিত করে। 
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি সে গর্বের সাথে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং বহুপাক্ষিক, যৌথ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যোগাযোগ, সংলাপ এবং সহযোগিতা করবে। আমরা তার এই নতুন দায়িত্বের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

[caption id="attachment_275589" align="alignnone" width="716"] প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন।[/caption]

এদিন জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের ৪১তম অধিবেশনে সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন। 

 

মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন জাহাজ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ছোড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে তারা।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপে (ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ) এ হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে ইরান বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে একটি ‘আঞ্চলিক দেশে’ অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও হেলিকপ্টারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে তারা।

তবে সেন্টকম দাবি করেছে, তেহরান কুয়েতের দিকে দুটি এবং বাহরাইনের দিকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যার সব কটিই মাঝপথে বিধ্বস্ত হয়েছে অথবা প্রতিহত করা হয়েছে।

সেন্টকম দাবি করেছে, তেহরান কুয়েতের দিকে দুটি এবং বাহরাইনের দিকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যার সব কটিই মাঝপথে বিধ্বস্ত হয়েছে অথবা প্রতিহত করা হয়েছে।

কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়। এ যুদ্ধবিরতি আলোচনা থমকে থাকার মধ্যেই নতুন করে এ হামলার ঘটনা ঘটল।

সেন্টকম বলেছে, কেশম দ্বীপের হামলায় ইরানের একটি সামরিক স্থল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র নিশানা করা হয়েছিল। এ ছাড়া আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে বৈধভাবে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে ইরান তিনটি ড্রোন ছুড়েছিল, যা মার্কিন বাহিনী গুলি করে নামিয়েছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীকে চড়া মূল্য দিতে হবে।’

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে আগ্রাসী মার্কিন বাহিনীকে চড়া মূল্য দিতে হবে।

উল্লেখ্য, মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা বাহরাইন ও কুয়েতের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ইরান এর আগেও বারবার হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিকতম ওই হামলার আগে সেন্টকম জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালিতে ওয়াশিংটনের নৌ অবরোধের অংশ হিসেবে তারা ইরানগামী একটি খালি তেলবাহী ট্যাংকারে আঘাত করে সেটি বিকল করে দিয়েছে।

ঢাকা

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়া মোড় বাজারে একটি জ্বালানি তেলের দোকান ও একটি খাবার হোটেল আগুনে পুড়ে গেছে। আজ বুধবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে জালিয়াপাড়া মোড়ের একটি জ্বালানি তেলের দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। দোকান থেকে আগুন দ্রুত পাশের খাবার হোটেলে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে তা নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুনের তীব্রতার কারণে তাঁরা ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে মাটিরাঙা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী বলেন, শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে আগুনে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করা বিশ্বের লাখো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন। তবে টিউশন ফি, আবাসন, বইপত্র ও যাতায়াত ব্যয়ের কারণে অনেকের কাছেই সে স্বপ্ন অধরাই থেকে যায়। তবু যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য উদার আর্থিক সহায়তা ও বৃত্তির সুযোগ দিয়ে থাকে, যা বিদেশে পড়াশোনাকে তুলনামূলক সহজলভ্য করে তুলেছে।

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি–এমআইটি—
কোয়াকুয়ারেলি সাইমন্ডস (কিউএস) র‍্যাঙ্কিং অনুযায়ী, পরপর দুই বছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেয়েছে এমআইটি। বিশ্ববিদ্যালয়টির স্টুডেন্ট ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বিভাগ শিক্ষার্থীদের পারিবারিক আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে সহায়তার ব্যবস্থা করে। যেসব পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লাখ ডলারের (প্রায় ৯৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা) কম, তাঁদের জন্য বৃত্তি বা অনুদানের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে এমআইটির প্রায় ৩৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ স্নাতক শিক্ষার্থী এমন বৃত্তি বা অনুদান পেয়েছেন, যার পরিমাণ টিউশন ফির সমান বা তার বেশি।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়—
হার্ভার্ড কলেজের গ্রিফিন ফাইন্যান্সিয়াল এইড অফিস আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনভিত্তিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করে। পরিবারের বার্ষিক আয় ১ লাখ ডলার বা তার কম হলে শিক্ষার্থীরা সম্পূর্ণ বিনা খরচে পড়াশোনার সুযোগ পেতে পারেন। এ সহায়তার আওতায় টিউশন ফি, আবাসন, খাবার, স্বাস্থ্যবিমা, যাতায়াত ব্যয় এবং প্রথম বর্ষে ২ হাজার ডলারের স্টার্ট-আপ অনুদান অন্তর্ভুক্ত থাকে। এ ছাড়া যেসব পরিবারের আয় ২ লাখ ডলারের কম, তাদের জন্যও টিউশন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়।

ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়—
ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা না করেই ভর্তিপ্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়। শিক্ষার্থীদের পরিবারের প্রদর্শিত আর্থিক চাহিদার শতভাগ পূরণের প্রতিশ্রুতি দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

প্রথম বর্ষে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত তিনটি আবেদনমাধ্যমের যেকোনো একটির মাধ্যমে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারেন।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়—
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সীমিত পরিমাণ আর্থিক সহায়তা রয়েছে। যেসব শিক্ষার্থীর আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন, তাঁদের ভর্তির আবেদনের সময়ই বিষয়টি উল্লেখ করতে হয়।

ভর্তি হওয়ার পর পারিবারিক আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করা হয়।

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়—
কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভর্তিপ্রক্রিয়া অন্য শিক্ষার্থীদের মতো হলেও আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে ‘নিড-অ্যাওয়ার’ নীতি অনুসরণ করা হয়। অর্থাৎ আবেদনকারীর আর্থিক প্রয়োজনও মূল্যায়নের অংশ হতে পারে।

বর্তমানে গড় আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ৭৯ হাজার ৩৭৫ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯৬ লাখ টাকার সমান।

আবেদন শুরু করুন আগে থেকেই
উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক সহায়তা বা বৃত্তির আবেদন আগেভাগে শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো প্রস্তুতি ও সঠিক তথ্য সংগ্রহ করলে বিশ্বের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পড়াশোনার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেওয়ার সুযোগ বাড়ে।

এনডিটিভি

ভারতের রাজধানী দিল্লির মালব্য নগরে একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন। এ ঘটনায় কমপক্ষে ২১ জন নিহত হয়েছেন।

আজ বুধবার হাইকমিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বার্তায় বলা হয়, মালব্য নগরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে সাকেত এলাকার ম্যাক্স হাসপাতালে এবং বাকি দুজনকে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাইকমিশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে এবং আহতদের চিকিৎসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

স্থানীয় পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, মালব্য নগরের ওই ভবনে ‘লেমন গ্রিন’ নামের একটি রেস্তোরাঁ এবং ‘ফ্লোরিশ স্টে বি’ নামের একটি হোটেল ছিল। বুধবার সকাল ৮টা ৪৮ মিনিটের দিকে সেখানে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলের অনেক অতিথি ঘুমিয়ে থাকায় হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের কয়েকজন নাগরিকও রয়েছেন।

দিল্লির উপপুলিশ কমিশনার অনন্ত মিত্তাল জানান, ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য জরুরি সেবাদানকারী সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় ভবনটি থেকে ৪০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের দ্রুত বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ১৩ জন আহত ব্যক্তি এইমস (অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস) ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন।

আগুনে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারের জন্য দুই লাখ রুপি আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করেছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশন নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে এবং উদ্ধারকর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছে। আহত বাংলাদেশিদের দ্রুত সুস্থতায় কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছে তারা।

 

আমাদের অনুসরণ করুন

 

সর্বাধিক পড়ুন

  • সপ্তাহ

  • মাস

  • সব